মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

দেলওয়ার প্যারাডাইসে ইয়াবা সেবনে ফের অসুস্থ পর্যটক

শেয়ার করুন

কক্সবাজারে ইয়াবা সেবন করে মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করছে আবু নাঈম নামের এক পর্যটক। সে পুরান ঢাকার আবুল হাসেমের ছেলে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলীর দেলোয়ার প্যারাডাইস নামের একটি হোটেলে এই ঘটনা ঘটে।
ইয়াবা সেবনে স্বর্ণা রশিদ নামের ঢাকার এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে আবারো ইয়াবা সেবনে এমন ঘটনা ভাবিয়ে তুলেছে পর্যটক ও স্থানীয়দের। মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে আবু নাঈম (২৫) নামে এক পর্যটক। হোটেল সুত্র বলছে, গত ৬ জানুয়ারী দেলোয়ার প্যারাডাইস নামে এ হোটেলে উঠে পুরান ঢাকার আবুল হাসেমের ছেলে আবু নাঈম (২৫) ও লাজিম খান নামে দুই বন্ধু। ওই রুমেই নাঈমের স্ত্রী পরিচয়ে উঠে নাদিয়া আক্তার (২০) নামে এক তরুণী। ৭ জানুয়ারী রাত সাড়ে নয়টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।চিকিৎসকদের মতে, তিনি অতিরিক্ত ইয়াবা সেবন করেছেন। যার প্রভাবে তিনি অসুস্থ হয়েছেন। তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগ থেকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, মূলত নাদিয়া আক্তার তার স্ত্রী নয়। গার্লফ্রেন্ড হিসেবে আসছেন তিনি। তারা এক রুমে তিনজন ছিলেন সেটা নিয়েও চলছে ধোয়াশা। তবে হোটেলের এক বয় ছেলে তাদের এ ইয়াবা সরবরাহ করেছে বলে ধারণা পুলিশের। দেলোয়ার প্যারাডাইসের জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল কুদ্দুস দাবি করেন, এটি হোটেল কক্ষে হতে পারে না। এরা বাহিরে কোথাও সেবন করেছে বলে ধারণা তার। তবে এক কক্ষ দুই যুবক ও এক নারী অবস্থানের বিষয়ে আইনগত ব্যাখ্যা না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (অপারেশন) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে কি কারণে তিনি অসুস্থ হয়েছেন তা এখনও ষ্পষ্ট নয়।

শেয়ার করুন