৫ মার্চ, ২০২৬ | ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৫ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

তাসকিনের হ্যাটট্রিক

শেষ ওভারের তৃতীয় বলে অ্যাসেলা গুনারত্নের ক্যাচ ধরলেন সৌম্য সরকার। চতুর্থ বলে সুরাঙ্গা লাকমালের ক্যাচটা ঝাঁপিয়ে ধরলেন মোস্তাফিজুর রহমান। পঞ্চম বলে হ্যাটট্রিকের দারুণ সুযোগ। ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নামলেন নুয়ান প্রদীপ। হ্যাটট্রিক কী হবে? এমনই যখন অপেক্ষার পালা, তখনই লঙ্কান এই বোলারকে বোল্ড করে হ্যাটট্রিক পূরণ করে ফেললেন তাসকিন আহমেদ। সে সঙ্গে ১ বল বাকি থাকতেই শ্রীলঙ্কাকে অলআউট করে দিলেন ৩১১ রানে।

বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে পঞ্চম বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করলেন তাসকিন আহমেদ। এর আগে বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে হ্যাটট্রিক করেছেন শাহাদাত হোসের রাজীব, আবদুর রাজ্জাক, রুবেল হোসেন এবং তাইজুল ইসলাম। সর্বশেষ যোগ হলেন তাসকিন আহমেদ।

ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বমোট ৪১টি হ্যাটট্রিকের ঘটনা ঘটলো আজ তাসকিনেরটিসহ। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গাই একমাত্র বোলার, যিনি মোট ৩টি হ্যাটট্রিক করেছেন। এছাড়া ওয়াসিম আকরাম, চামিন্দা ভাস এবং সাকলায়েন মোস্তাক দুটি করে হ্যাটট্রিক করেছেন।

সর্বপ্রথম হ্যাটট্রিকের মালিক পাকিস্তানের জালাল উদ্দিন। ১৯৮২ সালে হায়দরাবাদের নিয়াজ স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন ভারতের চেতন শর্মা। ১৯৮৭ সালে নাগপুরে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বপ্রথম হ্যাটট্রিক করেন শাহাদাত হোসেন রাজীব। ২০০৬ সালে হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। তাফাদজাওয়া মুফাম্বিসি, এল্টন চিগুম্বুরা এবং তাফান্দা মুফারিওয়াকে ফিরিয়ে দেশের হয়ে প্রথম হ্যাটট্রিকটি করেন শাহাদাত।

দেশের হয়ে দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকটি করেন স্পিনার আবদুর রাজ্জাক। প্রতিপক্ষ এবারও জিম্বাবুয়ে। মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে, ২০১০ সালে। প্রসপার উতসেয়া, রেমন্ড প্রাইস এবং ক্রিস্টোফার এমপোফুকে ফিরিয়ে এই হ্যাটট্রিক করেন রাজ্জাক।

তৃতীয় হ্যাটট্রিকটি আসে রুবেল হোসেনের কাছ থেকে। এবার প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। ২০১৩ সালে মিরপুরে। সেবার কোরি এন্ডারসন, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম এবং জিমি নিশামকে ফিরিয়ে এই হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তিনি।

বাংলাদেশের হয়ে চতুর্থ হ্যাটট্রিক করেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এবারও প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে। ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর। তবে তাইজুলের এই হ্যাটট্রিকের আলাদা মাহাত্য আছে। তিনি হ্যাটট্রিকটা করেছেন অভিষেকেই। আর কোনো বোলার অভিষেকে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেননি। ফেরান তিনাশে পানিয়াঙ্গারা, জন নাইউম্বু এবং তেন্দাই চাতারাকে।

সর্বশেষ হ্যাটট্রিক করলেন তাসকিন আহমেদ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। দেশের বাইরে শাহাদাত হোসেন রাজীবের পর তিনিই দ্বিতীয় বোলার, যিনি হ্যাটট্রিক করলেন।

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আজ টস জিতে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কা। শুরুতেই লঙ্কানদের ওপর আঘাত হানতে সক্ষম হন মাশরাফি বিন মর্তুজা। এরপর থেকেই লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা চড়াও হয় বাংলাদেশের বোলারদের ওপর। যদিও ইনিংসের মাঝপথে এসে দুর্দান্ত এক ক্যাচে সেঞ্চুরিয়ান কুশল মেন্ডিসকে ফেরান তাসকিন।

ইনিংসের একেবারে শেষ ওভারটি করার জন্য তাসকিনের হাতেই বল তুলে দেন মাশরাফি; কিন্তু তিনি বল করতে এসেই বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন এবং হ্যাটট্রিকই করে ফেলেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।