মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে তিন বাঘ শাবক সুস্থ

শেয়ার করুন

Picture Chakaria   0
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে নতুন তিন বাঘ শাবকের জন্ম হয়েছে। গত মঙ্গলবার পার্কের বেস্টনীতে বাঘ জয় ও বাঘিনী জুঁই এ তিনটি বাঘ শাবক জন্ম দেন। বর্তমানে জন্ম নেয়া তিনটি শাবক ও তাদের বাবা জয় ও মা জুঁইকে পার্কের সহকারি ভেটেরিনারী সার্জন মোস্তাফিজুর রহমানের তত্বাবধানে চিকিৎসা ও তরল খাবার দুধ দেওয়া হচ্ছে। রাখা হয়েছে একই স্থানে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনটি শাবক ও তাদের মা জুঁই সুস্থ রয়েছে।
সাফারি পার্কের বনবিট কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ২০১২ সালে র‌্যাব ও বনবিভাগের অভিযানে ঢাকার শ্যামলী এলাকার এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়ি থেকে দুই মাস বয়সের তিনটি বাঘ শাবক উদ্ধার করা হয়। পরে এ গুলোকে পাঠানো হয় ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে। ভেটেরিনারী বিভাগের লোকজনের পরিচর্যায় ক্রমান্নয়ে বেড়ে উঠতে থাকে এ তিনটি বাঘ শাবক। গতবছর বন্ধুত্বের প্রতিক হিসেবে বাংলাদেশ সরকার জাপানকে দুটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার উপহার দেন। তার মধ্যে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক থেকে পাঠানো হয় জ্যোতিকে। তিনি আরো বলেন, গতবছরের ১৩ অক্টোবর জয়-জুঁইকে সাফারি পার্কে অবমুক্ত করা হয়। আর চলতিবছরের ৫ মে তাঁরা জন্ম দেন একে একে তিনটি বাঘ শাবক।
ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে রেঞ্জ কর্মকর্তা মো.নুরুল হুদা বলেন, জন্ম নেওয়া তিনটি শাবক ও তাদের মা জুঁই সুস্থ রয়েছেন। ভেটেরিনারী বিভাগের কর্মীরা শাবক তিনটির নিবিড় পরিচর্যা করছেন। তিনি বলেন, বাঘ জয় ও বাঘিনী জুঁইকে বেড়ে উঠতে ও প্রজনন ক্ষেত্রে পার্কের ভেটেরিনারী বিভাগের লোকজন নিবিড় পরিচর্যা করেন।

শেয়ার করুন