১৮ এপ্রিল, ২০২৬ | ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ২৯ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ

ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে তিন বাঘ শাবক সুস্থ

Picture Chakaria   0
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে নতুন তিন বাঘ শাবকের জন্ম হয়েছে। গত মঙ্গলবার পার্কের বেস্টনীতে বাঘ জয় ও বাঘিনী জুঁই এ তিনটি বাঘ শাবক জন্ম দেন। বর্তমানে জন্ম নেয়া তিনটি শাবক ও তাদের বাবা জয় ও মা জুঁইকে পার্কের সহকারি ভেটেরিনারী সার্জন মোস্তাফিজুর রহমানের তত্বাবধানে চিকিৎসা ও তরল খাবার দুধ দেওয়া হচ্ছে। রাখা হয়েছে একই স্থানে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনটি শাবক ও তাদের মা জুঁই সুস্থ রয়েছে।
সাফারি পার্কের বনবিট কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ২০১২ সালে র‌্যাব ও বনবিভাগের অভিযানে ঢাকার শ্যামলী এলাকার এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়ি থেকে দুই মাস বয়সের তিনটি বাঘ শাবক উদ্ধার করা হয়। পরে এ গুলোকে পাঠানো হয় ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে। ভেটেরিনারী বিভাগের লোকজনের পরিচর্যায় ক্রমান্নয়ে বেড়ে উঠতে থাকে এ তিনটি বাঘ শাবক। গতবছর বন্ধুত্বের প্রতিক হিসেবে বাংলাদেশ সরকার জাপানকে দুটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার উপহার দেন। তার মধ্যে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক থেকে পাঠানো হয় জ্যোতিকে। তিনি আরো বলেন, গতবছরের ১৩ অক্টোবর জয়-জুঁইকে সাফারি পার্কে অবমুক্ত করা হয়। আর চলতিবছরের ৫ মে তাঁরা জন্ম দেন একে একে তিনটি বাঘ শাবক।
ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে রেঞ্জ কর্মকর্তা মো.নুরুল হুদা বলেন, জন্ম নেওয়া তিনটি শাবক ও তাদের মা জুঁই সুস্থ রয়েছেন। ভেটেরিনারী বিভাগের কর্মীরা শাবক তিনটির নিবিড় পরিচর্যা করছেন। তিনি বলেন, বাঘ জয় ও বাঘিনী জুঁইকে বেড়ে উঠতে ও প্রজনন ক্ষেত্রে পার্কের ভেটেরিনারী বিভাগের লোকজন নিবিড় পরিচর্যা করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।