মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

ট্যুরিস্ট পুলিশ উদ্ধার করলো ফ্রান্স নাগরিকের পাসপোর্ট

শেয়ার করুন

সাত মাস ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ঘুরে বেড়ানো ফ্রান্সের নাগরিক জেসিকার (২৭) হারানো পাসপোর্ট ফিরিয়ে দিয়ে ব্যাপক প্রশংসা পেল ট্যুরিস্ট পুলিশ।

ট্যুরিষ্ট পুলিশের ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ১৩ জানুয়ারি কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন জেসিকা।

মঙ্গলবার তিনি কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে যান। এরপর বিকেলে সিনিয়র এএসপি রায়হান কাজেমীকে ফোন দিয়ে জানান তিনি কক্সবাজারে তার পাসপোর্ট ফেলে এসেছেন।
কোন হোটেলে ছিলেন সেটির নামও বলতে পারেন না। শুধু বলেন, কলাতলি রোড। সিনিয়র এএসপি রায়হান কাজেমী জেসিকাকে আশ্বস্ত করেন, পাসপোর্ট উদ্ধার করে তাকে জানানো হবে।

কাজেমী ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের এএসআই জামাল হোসেনকে এক কনস্টেবলসহ কলাতলির সম্ভাব্য যেসব হোটেলে বিদেশিরা থাকেন এ ধরনের ২০-২৫টি হোটেলে খোঁজ নেয়ার নির্দেশ দেন।

১৮টি হোটেলে অনুসন্ধানের পর হোটেল জিনিয়া রিসোর্টের সাত তলার ঈ-৭ নম্বর কক্ষের খাটের নিচ থেকে জেসিকার পাসপোর্টটি উদ্ধার করা হয়। পরে কাজেমী ফোনে জেসিকাকে পাসপোর্টটি কোথায় পাঠাবেন জানতে চাইলে তিনি জানান, তিনি নিজেই কক্সবাজার এসে পাসপোর্টটি গ্রহণ করবেন।

বুধবার দুপুরে জেসিকার হাতে তার পাসপোর্টটি তুলে দেয়া হয়। ট্যুরিস্ট পুলিশের আন্তরিকতায় মুগ্ধ জেসিকা তার দেশে ভ্রমণের আমন্ত্রণ ও ট্যুরিস্ট পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিদায় নেন।

এ বিষয়ে সিনিয়র এএসপি রায়হান কাজেমী সাংবাদিকদের বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমরা সর্বদা সচেষ্ট। আমরা কক্সবাজারের ১৮টি জায়গায় বিলবোর্ড টানিয়ে আমাদের ফোন নম্বর দিয়েছি। এছাড়া আমাদের ওয়েব পেজেও দেশের যেকোনো পর্যটন এলাকা থেকে যেকোনো ব্যক্তি অভিযোগ ও এসএমএস করতে পারেন’।

শেয়ার করুন