মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

টেকনাফ-সেন্টমার্টিন জাহাজ চলাচল শুরু

শেয়ার করুন

কক্সবাজার সময় ডেস্কঃ টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে জাহাজ চলাচল  শুরু হয়েছে। সোমবার (১৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কেয়ারি সিন্দাবাদ নামের একটি জাহাজ ৩০০ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। চলতি পর্যটন মৌসুমের শুরুতে, অক্টোবরের প্রথম থেকে জাহাজ চলাচলের কথা থাকলেও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কারণে তা এতদিন বন্ধ ছিল। গতকাল কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের অনুমতিক্রমে চলতি পর্যটন মৌসুমে এই প্রথম কোনও জাহাজ সেন্টমার্টিনের দিকে যাত্রা করেছে।

টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথের জাহাজ কেয়ারি সিন্দাবাদ টেকনাফের ব্যবস্থাপক মো. শাহ আলম জানান, দুই মাস আগে থেকেই এ নৌপথে জাহাজ চলাচল করা উচিত ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রশাসন জাহাজ চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এ কারণে দীর্ঘদিন সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল। সার্বিক বিবেচনা করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচলেও ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। নৌ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে জেলা প্রশাসনও অনুমতি দিয়েছে। এতে করে সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ চলাচলে আর কোনও বাধা রইল না।

শাহ আলম বলেন, ‘আজ  সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টেকনাফের কেয়ারি সিন্দাবাদ জেটি ঘাট থেকে ৩০০ যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে আমাদের জাহাজ।’

টেকনাফের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক বলেন, ‘প্রতি বছর পর্যটন মৌসুমে ছয়টি জাহাজ প্রতিদিন চার থেকে সাড়ে চার হাজার পর্যটককে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে আনা নেওয়া করে। এছাড়া সাধারণ নৌকায় করে যাওয়া-আসা করে আরও অন্তত কয়েকশ পর্যটক। এ বছর রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টি হলেও পর্যটকদের সুবিধার্থে একটু দেরিতে হলেও জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’

উল্লেখ্য, প্রতি বছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চার মাস বাংলাদেশে পর্যটন মৌসুম হিসেবে চিহ্নিত। অন্যান্য বছর পহেলা অক্টোবর থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত ছয় মাস জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয় প্রশাসন। এবারও ১ অক্টোবর থেকে জাহাজ চলাচলের সার্টিফিকেট আনা হলেও নিষেধাজ্ঞার কারণে জাহাজ চালাতে পারেনি ট্যুর অপারেটরগুলো।

শেয়ার করুন