১০ মার্চ, ২০২৬ | ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২০ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

টেকনাফে স্ত্রীর কর্মে অতিষ্ঠ হয়ে মালয়েশিয়া ফেরত স্বামীর আত্মহত্যা


টেকনাফে বিবাহিত স্ত্রীর চাল-চলন ও কর্মে অতিষ্ঠ হয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আতœহত্যা করেছে মালয়েশিয়া ফেরত স্বামী।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়-গত ৫ফেব্রুয়ারী রাত সাড়ে ৮টারদিকে টেকনাফ পুরান পল্লান পাড়ার হাফেজ ড্রাইভারের পুত্র মালয়েশিয়া ফেরত ২সন্তানের জনক আব্দুর রশিদ (৩৪) প্রতিবেশী জনৈক ছৈয়দ মাষ্টারের বাড়ির একটি গাছে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্বহত্যা করে। কারণ হিসেবে স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বললে বেরিয়ে আসে স্ত্রী সনজিদার নানা অনৈতিক কর্মকান্ড। মালয়েশিয়া প্রবাসে থাকাকালে স্ত্রী সনজিদা স্বামী আব্দুর রশিদের বন্ধু স্থানীয় ইউছুপের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে নানা অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়। তা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ সৃষ্টি হলে পৌর কমিশনার আবু হারেছ কমিশনারের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়ায় প্রায় ৩মাস পূর্বে আব্দুর রশিদ দেশে ফিরে এসে হ্নীলা জাদিমোরায় শ্বাশুড়ালয়ে বসবাস করে আসছিল। তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ হলে আবারো টেকনাফে নিজ বাড়িতে চলে আসে বসবাস করে। এরই ফাঁকে এক ব্যক্তির মোবাইলে আপত্তিকর ছবি দেখা নিয়ে আবারো কলহ হলে স্ত্রী সনজিদা স্বামীকে ফেলে চট্টগ্রাম চলে যায়। এতে স্বামী আব্দুর রশিদ ক্ষোভ ও অভিমানে ভেঙ্গে পড়ে গত শনিবারে বিপূল পরিমাণ ঘুমের ঔষুধ খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে সুস্থ করে তোলা হয়। এরপরও স্ত্রী সন্তানদের কথা মনে আসায় নিরাশ হয়ে গাছে ফাঁস লাগিয়ে আতœহত্যা করে বলে লোকজন ধারণা করে। নৃশংস এই ঘটনার খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ পোস্টমর্টেমর জন্য থানায় নিয়ে আসে। ফেব্রুয়ারী সকালে পোস্টমর্টেমের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়। এই ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে পারিবারিক সুত্র জানিয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।