মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

টেকনাফে শহীদ ক্যাপ্টেন মকবুল সড়কের করুণ দশা

শেয়ার করুন

received_1817229535201946
টেকনাফের হ্নীলা পানখালী সড়ক তথা শহীদ ক্যাপ্টেন মকবুল আহমদ সড়কের জরাজীর্ণ দশার অন্ত নেই। সামান্য বৃষ্টি হলেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে হাজারো মানুষের ভোগান্তিতে নাভিশ্বাস হয়ে উঠছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়-হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যানসহ হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা হ্নীলা বাসষ্টেশন হতে ফরেস্ট বিট অফিস পর্যন্ত সড়কটি বার বার সংস্কার হলেও প্রতিবছর ভেঙ্গে যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। আর একটু বৃষ্টি হলেই মরার উপর খাড়ার ঘাঁর মতো যত্রতত্রই পানি জমে সবকিছু চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে পানখালী গমনকারী রিক্সা ষ্টেশন,তরকারী বাজার,দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা,হাসপাতাল গেইট পর্যন্ত প্রাচীন এই সড়কটি ছিন্নভিন্ন অবস্থা। সড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকলেও উত্তর পাশে না থাকায় ঝড়-বৃষ্টি হলে পানি সহজে নিষ্কাষিত হয়না।পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে বেড়ে যায় ভোগান্তি। এই ব্যাপারে পথযাত্রী আবুল হোসেন বলেন-প্রতি বছর বর্ষার প্রবল বৃষ্টিতে এই সড়কের বিভিন্ন অংশ উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়। বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকায় আমরা চলাচল করতে পারিনা। মুমূর্ষ রোগী বহনকারী রিক্সা চালক নুরুল আলম বলেন-রাস্তার বেশী ভাঙ্গার কারণে আমরা দ্রুত রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে পারিনা। স্থানীয় মেম্বার হোছাইন আহমদ জানান-এই সড়কের হ্নীলা ষ্টেশন হতে সরকারী হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কটির উভয় পার্শ্বে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়কটি উঁচু করে সংস্কার করা প্রয়োজন। এলজিইডির অধীনে এই সড়কটি বার বার সংস্কার করা হলেও উপকরণ ও কাজের গুণগতমান টিক না হওয়ায় প্রতি বছর ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। স্থানীয় ভূক্তভোগীরা এই সড়কটির টেকসই উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

শেয়ার করুন