১০ জানুয়ারি, ২০২৬ | ২৬ পৌষ, ১৪৩২ | ২০ রজব, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১   ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে   ●  উখিয়া–নাইক্ষংছড়িতে আলোচিত মাদক ও জাল টাকা মামলার সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্য প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন   ●  আ.লীগের বদি’র ক্যাশিয়ার দশবছর পর ফিরলেন বিএনপিতে   ●  অসহায় শিশুদের জন্য শীতকালীন বস্ত্র উপহার দিল স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম   ●  মানবিক কাজে বিশেষ অবদান; হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান   ●  দুই দিন ধরে নিখোঁজ প্রবাল নিউজের প্রতিবেদক জুয়েল হাসান, থানায় জিডি   ●  গ্রামে গ্রামে আনন্দের স্রোত   ●  সিবিআইউ’র আইন বিভাগের ১৭তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন   ●  ক্ষোভ থেকে হত্যার ছক আঁকেন অপরাধী চক্র

টেকনাফে মৎস্যঘের জবর দখলের চেষ্টা, ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং লাতুরীখোলা এলাকায় দীর্ঘদিনের ভোগ দখলীয় চিংড়ি সহ বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্যঘের  জবর দখলের চেষ্টা চালিয়েছে বলে  অভিযোগ উঠেছে। চক্রটি জবর দখল নিতে না পেরে তান্ডব চালিয়ে ঘেরের  ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী লোকজন বৃহস্পতিবার রাতে টেকনাফ মডেলা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগে প্রকাশ, বেশকিছু বছর আগে  স্থানীয়ভাবে দুই একর জায়গায় চিংড়ি সহ বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্যঘের করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে মৎস্যঘেরে মাছ উৎপাদনের জন্য প্রতি বছর লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়। এ বছরই তার ব্যর্থয় ঘটেনি। লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ভোগ দখলে রয়েছেন লাতুরীখোলা এলাকার মৃত ফকির মোহাম্মদের ছেলে ওমর আলী, বাচা মিয়ার ছেলে আনু মিয়া, আতর আলীর ছেলে কবির আহমদ সহ অন্যরা। গত ৬ জুন দুপুরের দিকে অতর্কিতভাবে  স্থানীয় আবু তালেবের ছেলে সাবেক মাস্টার ছব্বির আহমদ, মৃত সৈয়দ হোসেনের ছেলে আব্দুল আলীম, মৃত সৈয়দ ফকিরের ছেলে মো. ছিদ্দিক, আবু সিদ্দিক মৃত সোলতান আহমদের ছেলে মো. আলমগীর,  মৃত ওলামিয়া ফকিরের ছেলে মো. আলম, আব্দুল কাদেরের ছেলে মো. সোহেল,  মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ কবিরের ছেলে কোরবান আলী, মৃত শাহাব মিয়ার ছেলে আবুল ফয়েজ প্র. সোনা মিয়া, আবু সিদ্দিকের ছেলে আবু তাহের  ঝিমংখালী এলাকার মো. ইব্রাহীম সহ রোহিঙ্গা ভাড়া করে প্রায় দেড় শতাধিক  লাঠিয়াল বাহিনী মৎস্যঘেরটি  জবর দখল করতে অপচেষ্টা চালানো হয়। তাদের বাধা দেয়া হলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দ্বারা বেধড়ক পিটিয়ে  জিম্মি করে রেখে মৎস্যঘেরের বাঁধ কেটে  পানি ছেড়ে দেয়া হয়। পরে সব  মাছ শিকার করে নিয়ে যায় ওই চিহ্নিত দূর্বৃত্তরা। এতে তাদের ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান আবুল কালাম।এ দিকে এই ঘেরটি নিয়ে মামলা চলছে বলেও জানা গেছে। যার নাম্বার অপর ৪০৩/২০২১।
এ মামলায় নিষেধাজ্ঞার জন্য সাবেক মাস্টার  ছব্বির আহমদ ও আব্দুল আলীমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হলেও তারা আদালতে হাজির হননি বলে জানান বাদী পক্ষের আইনজীবী এস এম ইব্রাহিম খলিল। এ কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আদালতের শরণাপন্ন হবেন বলেও জানান এই আইনজীবী।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ী দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসআই) মো. রুকনুজ্জামান জানান, এখনো অভিযোগ হাতে পাইনি, পেলেই খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।