মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

টেকনাফে দালালসহ ৬ মালয়েশিয়াযাত্রী আটক

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিবেদকঃ শীত মৌসুম শুরু হতে না হতেই সীমান্তের মানবপাচারকারিরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের বাহারছড়া দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাবার চেষ্টা কালে এক দালাল ও রোহিঙ্গাসহ ৬ যাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাদের আটক করে সন্ধ্যায় তাদের টেকনাফ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের বড়ডেইল এলাকার মো. ইসমাইলের ছেলে দালাল নুরুল আমিন ওরফে নুর আলম (৪০), উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের পুকুরিয়া গ্রামের মৃত ইউছুপ আলী ছেলে আলী হোসেন (৪৫), রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের তাইগা কাটা গ্রামের মৃত ফকির আহমদের ছেলে মো. ছৈয়দ হোসেন(৩৯), একই এলাকার উজির আলীর ছেলে মো. আলম (১৬), মিয়ানমার মংডুর বাঘগুনা গ্রামের মো. হোছনের ছেলে মো. হারুন মিয়া (২০) ও একই গ্রামের মো. আবু তাহেরের ছেলে জিয়াউল হক(১৯)। রোহিঙ্গা দুইজন বর্তমান কুতুপালং অনবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরের ডি ব্লকের বাসিন্দা। টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কাঞ্চন কান্তি দাশের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপকূলে একটি বাড়ি থেকে তাদেরকে আটক করে।

অভিযান পরিচালনাকারি বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) কাঞ্চন কান্তি দাশ বলেন, টেকনাফের বাহারছড়া উপকূলের সমুদ্র পথে মালয়েশিয়া পাঠানোর জন্য কয়েকজনকে জড়ো করার খবর পেয়ে দালাল নুরুল আমিন ওরফে নুর আলমের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়িতে বেশ কয়েকজন পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচঁ মালয়েশিয়াযাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বাড়ির মালিকেও আটক করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইন উদ্দিন খাঁন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দু’রোহিঙ্গাসহ সুমদ্র পথে মালয়েশিয়া যেতে প্রস্তুতি নেয় ৫যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় এক দালালকেও আটক করা হয়। এ ঘটনায় মানবপাচার আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং শুক্রবার সকালে তাদেরকে কক্সবাজার আদালতে পাঠানো হবে।

শেয়ার করুন