মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

টেকনাফে এক ব্যক্তিকে কূপিয়ে রক্তাক্ত করেছে দূবৃর্ত্তরা

শেয়ার করুন


টেকনাফের হ্নীলায় বসত-বাড়ির ভোগ-দখলীয় জমি এবং সৃজিত বাগানের গাছপালা নিয়ে বিরোধের জেরধরে এক ব্যক্তিকে ডেকে দোকানে নিয়ে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করেছে চিহ্নিত দূবৃর্ত্তরা।
জানা যায়,গত ৩০এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টারদিকে উপজেলার হ্নীলা লেদায় সম্প্রতি মালয়েশিয়া ফেরত মৃত আবুল মঞ্জুরের পুত্র নুর হোছন (২৬)কে জমি বিরোধ নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরধরে স্থানীয় হায়দার আলীর পুত্র জামাল কথা আছে বলে পাশ্ববর্তী দোকানে ডেকে নিয়ে আসে। সেও সরল মনে কথা বলার জন্য দোকানে ঢোকার সাথে সাথে কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই জামালের পুত্র হামিদ হোছন,দেলোয়ার হোছন,হাফিজুর রহমানের পুত্র সেলিম,আমির হোছনের পুত্র আব্দুল আমিনসহ ১০/১২জনের একটি স্বশস্ত্র গ্রুপ পূর্বপরিকল্পিতভাবে দা,লাঠি-সোটা নিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে বাম হাতের কনুই ৩টি কূপ,ডান পায়ের গোড়ালির উপরে ২টি কূপ এবং মাথায় লাঠির আঘাত করে ব্যবহৃত মোবাইলসহ টাকা নিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে বীরদর্পে চলে যায়। এরপর নুর হোছনের চিৎকারে উপস্থিত লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতাল হয়ে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার নুরুল হুদা মালয়েশিয়া ফেরত নিরীহ ব্যক্তির উপর স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলার সত্যতা স্বীকার করেন। ১মে কক্সবাজারেও মালয়েশিয়া ফেরত,১সন্তানের জনক নুর হোছনের অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চমেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগে সে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। এই ব্যাপারে টেকনাফ থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন