১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৮ মাঘ, ১৪৩২ | ২২ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প

টেকনাফে অপহরণ চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহরণ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার ভোরে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই)  মো. দস্তগীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের টিম শীলখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের  গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী এলাকার মৃত অলি চাঁনের ছেলে বাহাদুর (২৮) এবং অন্যজন একই এলাকার মোজাহেরুল ইসলাম প্রকাশ গুরুতাইন্না মাইজ্যার ছেলে বাবুলা (৩২)।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. দস্তগীর হোসেন বলেন, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে শনিবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে  একটি চৌকস টিম বাহারছড়ার শীলখালী এলাকায় অভিযান চালায়। ওই সময় অপহরণকারী চক্রের  দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ২ জনই হেলাল – মোর্শেদ-বদরুজ সিন্ডিকেটের অপহরণকারী চক্রের সদস্য বলে স্বীকার করে। তারা দীর্ঘদিন হেলাল, মোর্শেদ ও বদরুজের নেতৃত্বে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ অপহরণ করে পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে মুক্তিপণ আদায় করে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান।
পুলিশ কর্মকর্তা মো.দস্তগীর হোসেন বলেন, গ্রেফতারকৃতদের ৩ রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
সূত্র মতে, এর আগে টেকনাফে ১০ জন কৃষক (ভিকটিম) অপহরণের ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়। মামলার নং -৫৬ যার তদন্তকারী কর্মকর্তা হলেন এসআই মো. দস্তগীর হোসেন।
উল্লেখ্য, ওই মামলায় পূর্বে তিনজন গ্রেফতার করা হয়। তিনজনই বিজ্ঞ আদালতে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।