২৪ এপ্রিল, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ৬ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ

কক্সবাজার সদর মডেল থানার প্রতিবেদন

জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে সহযোগিতা পেয়েছে ৭,২০৫ ভুক্তভোগী


বিশেষ প্রতিবেদক:

মাদক,অস্ত্র, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য সব ধরণের অপরাধ দমনে তৎপর রয়েছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এইসব কার্যক্রমের পাশাপাশি জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে সহযোগিতা পেয়েছে ৭,২০৫ ভুক্তভোগী লোকজন। এছাড়া  থানাকে ‘দালালমুক্ত’ ঘোষণা করা হয়েছে। মামলা, তদবির বাণিজ্য বন্ধ। থানায় গিয়ে আগের মতো ‘নেতাগিরি’ কিংবা ‘প্রভাব খাটানো’ যায় না। যার সেবা তাকেই দেওয়া হয়। হেল্পডেস্ক অতীতের চেয়ে অনেক সক্রিয়। সব ধরণের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন,  গেল আগস্ট পর্যন্ত প্রায় দু’বছরে বিভিন্ন মামলায় ১৭০২জন আসামি গ্রেফতার এবং ৩,১৮,০৩২টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। নারী ও শিশু হেল্প ডেস্ক এর  সহায়তা পেয়েছে ১,৫৫০ জন। জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে ৭,২০৫ জনকে সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। ১২৫ জন কিশোর অপরাধী আটক করে পিতা-মাতার জিম্মায় দেয় পুলিশ।
ধর্ষণ মামলায় ৮৮, জিআর ওয়ারেন্টমূলে ১০১২, জিআর সাজা ওয়ারেন্টমূলে ৫৫, সিআর পরোয়ানার ৫৫৫ এবং সিআর সাজা পরোয়ানামূলে ৮০ জন আসামি গ্রেফতার করে পুলিশ।
এছাড়া অস্ত্রধারী ১১৩, চোর-ছিনতাইকারী ৪৮০, কিশোর অপরাধী ১১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। অপহরণের শিকার ভিকটিম উদ্ধার হয়েছে ৯৫ জন।
বিগত দুই বছরে থানায় মাদকের মামলা হয়েছে ৮২টি। এসব মামলার এজাহারনামীয় আসামির সংখ্যা ১৬২। গ্রেফতার হয়েছে ১১৭ জন। বিভিন্ন অভিযানে ৩,১৮,০৩২ ইয়াবা, ৩১০ গ্রাম ইয়াবার গুড়া, ১২২০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ, ৩ কেজি ৭০৫ গ্রাম গাঁজা, ২৫ বোতল ফেন্সিডিল, ১টি গাজার গাছ উদ্ধার করে পুলিশ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর উল গীয়াস বলেন, রাষ্ট্র এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সর্বোচ্চ অন্তরিকতা সহকারে কাজ করে যাচ্ছি। ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাংসহ সব ধরণের অপরাধীর বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থান। থানায় পুলিশী সেবা শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। তবু সফলতা বিফলতা বিবেচনার ভার মানুষের হাতে।

প্রসঙ্গতঃ ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর চেকপোস্টে প্রদীপ (মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত) বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে খুন হন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান। ঘটনাটি পুরো বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। যে কারণে জেলায় ক্ষণিক সময়ে ইমেজ সংকটে পড়ে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে  পুলিশকে ঢেলে সাজানো হয়। এসপি থেকে থানার কনস্টেবল পর্যন্ত সম্পূর্ণ নতুন সেটআপে তৈরি হয়েছে শক্তিশালী চেইন অব কমান্ড।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।