মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

চুক্তি মতে দোকান দখল না দেয়ায় কক্সবাজারে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

শেয়ার করুন

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার শহরের এন্ডারসন রোড সংলগ্ন এড জলিল টাওয়ার (জলিল মার্কেট) এর ৩৫ বছরের পুরনো ভাড়াটিয়াদের চুক্তিকৃত দোকান দখল না দিয়ে মালিকপক্ষের হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে ব্যবসায়ীরা।
সোমবার (২১ মার্চ) দুপুরে মার্কেটের সামনে অবস্থান ধর্মঘটে জলিল মার্কেটের মালিককে আগামী ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা।
এই সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে পরবর্তীতে কক্সবাজার শহরে সবধরণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার হুশিয়ারী দেন। ঘোষণার সঙ্গে অন্যান্য ব্যবসায়ীরা একাত্মতা পোষণ করেন।
ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন, কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি পৌর প্যানেল মেয়র মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী, সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম হাসান, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম, যুগ্ম সম্পাদক মোতাহের হোসেন, খালেদ ওমর রানা, অর্থ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহিদ, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ শফিউল আলম, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা কামাল মিন্টু, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আনোয়ারুল ইমরান রায়হান, সদস্য কামরুল হাসান, আজিব চৌধুরী, আবুল কালাম, মোঃ নাছির, জুয়েলারী সমিতির সভাপতি সুভাষ ধর, ব্যবসায়ী নেতা মিহিরধর,  জলিল মার্কেটের ব্যবসায়ী মধু বাবু, মাহবুবুর রহমান, সুনিল ও সাগর দেব নাথ।
তারা বলেন, গত ১৯৮৭ সাল থেকে এডভোকেট আব্দুল জলিলের কাছ থেকে তারা ৭ জন সেলামীতে দোকান নেন। সঠিক সময়ে ভাড়াও পরিশোধ করেন। মূল মালিকের মৃত্যুর পর গত ২০১৯ সালে ছেলে কলিম উল্লাহ ‘জলিল টাওয়ার’ নামে নতুন মার্কেট নির্মাণের কথা বলে পুরাতন ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে নতুন সালামী নির্ধারণ করে চুক্তি করেন। মার্কেটটির নির্মাণকাজ শেষ হলেও দীর্ঘ ৩ বছর ধরে মালিক ভাড়াটিয়াদের দোকান বুঝিয়ে না দিয়ে হয়রানি করে আসছেন।
তারা বলেন, মার্কেট মালিক পুরাতন ভাড়াটিয়াদের দোকান বুঝিয়ে না দিয়ে অন্য ব্যবসায়িদের কাছে বেশী সেলামীতে ভাড়া দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পুরাতন ভাড়াটিয়াদের মালিক হয়রানি করছেন।
অবস্থান ধর্মঘটের পর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শেয়ার করুন