৫ মার্চ, ২০২৬ | ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৫ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

চাচা কর্তৃক ৬ বছরের ভাতিজী ধর্ষণ!

বিশেষ প্রতিবেদকঃ কক্সবাজার রামু থানাধীন জোয়ারিয়ানালা এলাকায় এলাকায় ছয় বছরের একটি শিশুকে তার দূর-সম্পর্কের চাচা চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখাইয়া বাড়ির পাশের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ প্রাপ্তির সাথে সাথে অফিসার ইনচার্জ রামু থানা জনাব একেএম লিয়াকত স্যারের নির্দেশে তৎক্ষণাৎ এস আই/ টিটু দত্তের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে নিম্নে বর্ণিত আসামি আবুল মনসুর প্রকাশ গুরা পুতিয়া(২২) পিতা:- শফিক আহমদ, সাং-সাওদাগরপাড়া, জোয়ারিয়ানালা, থানা-রামু, কক্সবাজারকে সনাক্ত ও গ্রেপ্তার করি। গ্রেপ্তার পরবর্তী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত আসামি জানাই যে, অনুমান একমাস পূর্বে গত ২৮/০৩/২০১৮ইং বেলা ১১:৩০ ঘটিকার সময় তার মাথায় খারাপ চিন্তা আসলে সে ভিকটিম ক(৬) কে চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখাইয়া তার বাড়ির পাশে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। উক্ত আসামি ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য ভিকটিমকে নিষেধ করে। পরবর্তীতে victim শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করলে তার পিতামাতা তাকে সূর্যের হাসি চিহ্নিত পারিবারিক স্বাস্থ্য ক্লিনিক ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায় মহিলা ডাক্তার ভিকটিমকে পরীক্ষা করিলে ধর্ষণের আলামত পরিলক্ষিত হয়। বিষয়টি ভিকটিমের পিতা-মাতাকে অবহিত করিয়া ভিকটিমকে নিবিড় ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে victim ডাক্তারকে ঘটনাটি জানাইলে তিনি মানবিক বিবেচনায় সাথে সাথে মোবাইল ফোনে আমাকে অবহিত করেন। আমি ভিকটিমকে তাহার পিতা-মাতাসহ থানা এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় অফিসার ইনচার্জ মহোদয়কে অবহিত করিলে স্যার বর্ণিত আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০এর ৯(১) ধারা মোতাবেক নিয়মিত মামলা রুজু করে তদন্তভার আমার উপর অর্পণ করেন। গ্রেফতারকৃত আসামিকে অদ্য বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করিলে সেই নিজের দোষ স্বীকার করিয়া সেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।