৫ মার্চ, ২০২৬ | ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৫ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

চাইল্যাতলী একে আযাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা একে আযাদকে মুক্তির দাবী

বার্তা পরিবেশকঃ এখনো খেলাধুলার বয়স শেষ হয়নি তার। এই বয়সে একজন যুবক নানা ধরনের কর্মকাণ্ড করে সমাজে আলোচিত-সমালোচিত হয়ে থাকেন। কেউ ফুটবল খেলে, কেউ ক্রিকেট খেলে, আবার কেউবা হাডুডু খেলে। আর
কেউ সামাজিক-অসামাজিক নানা কার্যকলাপ করে আলোচনা সমালোচনায় আসেন। এরকম একজন যুবকের নাম আবুল কালাম আজাদ। তিনি রামুর মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চাইল্যাতলী একে আযাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা করে ব্যাপক আলোচনায় আসেন।

আবুল কালাম আযাদ এখনো খেলাধুলার বয়সেরই একজন যুবক। এখন তার বয়স ৩২/৩৩। এখন থেকে আরো ৫/৭ বছর আগে ২৬ বছর বয়সে তিনি একে আযাদ উচ্চ বিদ্যালয় রামুর মিঠাছরি ইউনিয়ন এর চাইল্যাতলীর অন্ধকার এলাকায় প্রতিষ্ঠা করেন। সৌদি প্রবাসের আয়েশি জীবন ছেড়ে দেশে এসে একে আজাদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি।

বিগত অর্ধশত বছরে রামুর মত ইউনিয়নে হাতে গুনা মাত্র দু একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমাবদ্ধতা ভেঙে যুবক আবুল কালাম আযাদ প্রতিষ্ঠা করেন একে আযাদ উচ্চবিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়টি এখানে অন্ধকারে যেন একটি আলোর মশাল। ঝরে পড়া শত শত ছাত্র-ছাত্রী এই বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করছে। এ বিদ্যালয়ের কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠা থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।

এই বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজারের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, জনপ্রতিনিধি, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা। এই বিদ্যালয় এবং বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এ কে আজাদের বিরুদ্ধে কারো কোন অভিযোগ নেই। তার বিরুদ্ধে কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের অভিযোগ তো নেই। অন্য কোনো অপকর্মের অভিযোগও নেই।
একটি কুচক্রী মহল তার এই সততা, সুনাম ও শিক্ষা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করতে থাকে। বিদ্যালয় এর জন্য কেনা জমি নিয়ে তার বিরুদ্ধে অহেতুক অভিযোগ উত্থাপন করে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ভুল বুঝিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানী করে। তাকে যেতে হয় কারাগারে।

এ কে আজাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষানুরাগী একে আযাদের অপরাধ আর কিছু নয়। শুধু শিক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা ও সমাজে শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে শত শত ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার আলো বিতরণ তার অপরাধ।

এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কালীন সময়ে যথেষ্ট শ্রম এবং সহযোগিতা দিয়ে এ বিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন তৎকালীন রামু উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা। বর্তমানে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনরত জনাব সাইদুল হক। এছাড়াও এই প্রতিষ্ঠানে সংবর্ধিত হয়েছেন এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য ভূমিকা রেখে চলেছেন এবং সরেজমিনে এই প্রতিষ্ঠানে হাজির হয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন কক্সবাজার ও রামু’র সংসদীয় আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সাইমুম সরোয়ার কমল।

কোন ধরনের অপরাধ ছাড়া অনেকটা বিনা কারণে চাইল্যাতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক একে আজাদ কারাগারে থাকবেন এটা এলাকার সচেতন মানুষ এবং এ কে আজাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শত শত শিক্ষার্থীরা কোন মতেই মেনে নিতে পারছেন না। তাই তারা একে আজাদের দ্রুত মুক্তির দাবী করেছেন। তারা এ বিষয়ে মাননীয় জেলা প্রশাসক সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সদয় সহানুভূতি এবং সহযোগিতাও কামনা করছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।