৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৩ মাঘ, ১৪৩২ | ১৭ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম   ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১

গ্রেফতারের আগে সাহেদ মহেশখালিতেও পালিয়ে ছিলেন

প্রতারক সাহেদ ধরা পড়ার আগে কক্সবাজারের মহেশখালীতে পালিয়ে ছিলেন বলে র‌্যাবের কাছে স্বীকার করেছেন। এর পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করে থাকেন।

রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতারণা মামলার প্রধান পলাতক আসামি ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে আজ গ্রেফতার করা হয়েছে। সকালে সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ সাহেদকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।

পরে সাহেদকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় র‍্যাব দফতরে নিয়ে আসা হয়। সেখানে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ সাহেদ পালিয়ে কোথায় কোথায় ছিলেন তা জানায়।

সাহেদ জানায়, গত ৬ জুলাই যখন রিজেন্ট হাসপাতালে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলে তখন কক্সবাজারের মহেশখালিতে ছিলেন তিনি। স্থানীয় দালালদের সহযোগিতায় সেখানে একটি সাইক্লোন সেন্টারে ছিলেন। পরে সেখান থেকে চলে আসেন কুমিল্লার মীরা বাজারে। কুমিল্লা থাকাখালীন র‍্যাবের গ্রেফতার অভিযানের খুব কাছাকাছি চলে আসে। কিন্তু র‍্যাব গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়। এরপর ১২ জুলাই ঢাকার গুলশানে আসেন সাহেদ। নিরাপদ মনে না করায় চলে যান সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকায়। সেখানে গিয়ে দালালদের মাধ্যমে ভারতে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে থাকেন। এরমধ্যেই গোয়েন্দা জালে আটকা পড়ে আজ ভোরে র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হন তিনি।

এদিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় সাহেদ অনেকটা নির্ভার দেখা গেছে। এসময় তিনি বেশ কয়েকবার দম্ভোক্তি দেখান বলে জানান র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ। সাহেদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, সাহেদকে ছয় মাসের বেশি সময় আটকে রাখা যাবে না। তিনি সবকিছু আইনিভাবে মোকাবেলা করে খুব দ্রুতই জনসম্মুখে আসবেন বলে দম্ভোক্তি করে। এসময় যারা তাকে মদদ দিয়েছে এবং ধরিয়ে দিয়েছে তাদের দেখে নেবেন বলেও জানান সাহেদ।

র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে সাহেদ যেসব সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদকর্মীরা তার ছবি তুলছে এবং সংবাদ প্রকাশ করছে তাদেরও দেখে নেবার হুমকি দেন বলে জানায় র‍্যাব।

যমুনা

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।