মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

গর্জনিয়ায় দুই বন প্রহরীর রগ কর্তন করলো বনদস্যুরা

শেয়ার করুন


রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের রিজার্ভ এলাকা থেকে বৃক্ষ লুটকালে বাঁধা দেওয়ায় ঘিলাতলী বনবিটের দুই বন প্রহরীর রগ কর্তন করে পালিয়েছে বনদস্যুরা। মঙ্গলবার (২৮ফেব্রয়ারি) বিকেল ৫টায় ইউনিয়নের হেডম্যানঘোনায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন-বন প্রহরী সায়েদুল হক ও রিপন হওলাদার। তাদেরকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘিলাতলী বনবিটের বন প্রহরী মোহাম্মদ হালিম বলেন, রিজার্ভ এলাকা থেকে বৃক্ষ লুটের খবর পেয়ে বনবিভাগ অভিযান চালায়। কিন্তু কর্তনকৃত গাছগুলো জব্দ করতে গেলে অতর্কিত অবস্থায় বনদস্যু ও সন্ত্রাসী আবদুর রহিম, থিমছড়ির রশিদ আহমদের ছেলে ওসমান এবং ইউনুছের নেতৃত্বে অন্যান্যরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। তারা দায়ের কোপে বন প্রহরী সায়েদুল ও রিপনের হাতের রগ কর্তন করেছে।
এ ব্যাপারে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ীর সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ হোসেন বলেন, হামলার খবর পেয়ে দ্রুত সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আমি ঘটনাস্থলে যায়। লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই বনদস্যুদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিবে।
ঘিলাতলী বনবিটের বিট কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম মঙ্গলবার রাত নয়টায় মুঠোফোনে বলেন, গুরুত্বর আহত দুই বন প্রহরী কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরো বলেন-বনজসম্পদ রক্ষায় বনদস্যু, অবৈধ কাঠ ব্যাবসায়ী ও চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে আমরা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সহযোগিতা নিব।

শেয়ার করুন