৪ এপ্রিল, ২০২৬ | ২১ চৈত্র, ১৪৩২ | ১৫ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প

কুতুপালং অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিয়ানমারের ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদল

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কক্সবাজারে এসেছেন মিয়ানমারের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল। রোববার বিকালে এই প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং অনিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের সাথে দেখা করেন এবং তাদের সমস্যার কথা শুনেন। এই ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলেরর প্রধান হচ্ছেন জ্যং মিন্ট পে। তার নেতৃত্বেই ১০ সদস্য কক্সবাজার এসেছেন। প্রতিনিধি দলে অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন তদন্তকারী দলের ৫ সদস্য ত্যং তুই থেট, তুন মায়ার্ট, নিয়াট সোয়ে, থেট থেট ঝিন, নিয়ান নাই ম্যান।

রবিবার সকাল ১১টার দিকে প্রতিনিধি দলটি কক্সবাজারে পৌঁছেন এবং কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেনের সাথে আলাপ করেন।
জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানান, ‘কীভাবে উভয় দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটানো যায় তার উপায় নিয়ে আলাপ করেছেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। এছাড়া রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন তারা। এমনকি মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পালিয়ে আসার কথাও স্বীকার করেছেন।
কী কারণে তারা পালিয়ে এসেছে তা জানতে প্রতিনিধি দলটি রবিবার বিকালে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে যান।

আগামীকাল সোমবার এই প্রতিনিধি দল উখিয়ার বালুখালি ও লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গতঃ গত ৯ অক্টোবর মিয়ানমারে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় সে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সীমান্ত পুলিশের ১২ সদস্য নিহত হয়। সেই হামলার জন্য রোহিঙ্গা মুসলমানদের দায়ী করে আসছে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী। পরে রোহিঙ্গাদের ওপর দমন অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরপর থেকে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে রোহিঙ্গাদের। এর মধ্যে নতুন করে ৭০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। এদের সম্পর্কে তদন্ত করতেই মিয়ানমার সরকার একটি তদন্ত দল গঠন করে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।