৮ জুলাই, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২২ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

কাউন্সিলরের পদ হারাতে পারেন ইরফান সেলিম

বাবা সংসদ সদস্য, শ্বশুর সংসদ সদস্য নিজে ওয়ার্ড কাউন্সিলর। এমন ক্ষমতার কারণেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম। তবে এমন ক্ষমতাকে পেছনে রেখে তিনি যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতেন যা এতোদিন সবারই অজানা ছিলো।

রাজধানীর কলাবাগানে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় ঢাকা-৭ আসনের সদস্য হাজি মো. সেলিমের ছেলে ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইরফান সেলিমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আগামী ৩০ নভেম্বর ধার্য করেছেন আদালত। আজ সোমবার ( ২৬ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমান এই আদেশ দেন।

এর আগে ইরফান সেলিমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ধানমণ্ডি থানায় হত্যা চেষ্টার মামলা করেন নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ। ওই মামলার ৪ নম্বর আসামি গাড়িচালক মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর মামলার প্রধান আসামি ইরফান সেলিম ও তাঁর দেহরক্ষী তিন নম্বর আসামি মো. জাহিদকে অবৈধ ওয়াকিটকি ও মাদক রাখার দায়ে এক বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।