মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

করোনায় প্রাণ হারালো আরো ৪৮ জন

শেয়ার করুন

দেশে করোনায় প্রাণ হারালো আরো ৪৮ জন। এ নিয়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো তিন হাজার ৮৩ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৬৯৫ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট করোনা পজিটিভ শনাক্ত হলেন দুই লাখ ৩৪ হাজার ৮৮৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৬৬৮ জন এবং এখন পর্যন্ত এক লাখ ৩২ হাজার ৯৬০ জন সুস্থ হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এই তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১২ হাজার ৬৬৭টি, নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৯৩৭টি। এখন পর্যন্ত ১১ লাখ ৬৪ হাজার ১৯৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৮৩ শতাংশ, এখন পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ২০ দশমিক ১৮ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৬ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩১ শতাংশ।

নাসিমা সুলতানা জানান, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ ৩৬ জন এবং নারী ১২ জন। এখন পর্যন্ত মোট পুরুষ মারা গেছেন দুই হাজার ৪২৪ জন, যা ৭৮ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং নারী মারা গেছেন ৬৫৯ জন, যা ২১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে মারা গেছেন ৪১ জন এবং বাড়িতে মারা গেছেন সাত জন।

২৪ ঘণ্টায় মার যাওয়াদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে চার জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে পাঁচ জন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

এ পর্যন্ত শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন ১৮ জন, যা শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ; ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ৩০ জন, যা শূন্য দশমিক ৯৭ শতাংশ; ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৮৫ জন, যা দুই দশমিক ৭৬ শতাংশ; ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২০২ জন, যা ছয় দশমিক ৫৫ শতাংশ; ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৪৩৫ জন, যা ১৪ দশমিক ১১ শতাংশ; ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৮৯০ জন, যা ২৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ এবং ষাটের অধিক এক হাজার ৪২৩ জন, যা ৪৬ দশমিক ১৬ শতাংশ।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগভিত্তিক মৃতের সংখ্যা ঢাকা বিভাগে ১৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ জন, খুলনা এবং সিলেট বিভাগে পাঁচ জন করে, রাজশাহীতে তিন জন এবং বরিশাল, রংপুর এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুই জন করে রয়েছেন।

এ পর্যন্ত বিভাগভিত্তিক মৃতের সংখ্যা এবং শতকরা হারে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে এক হাজার ৪৭৫ জন, যা ৪৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ; চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৫১ জন, যা ২৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ; রাজশাহীতে ১৮২ জন, যা পাঁচ দশমিক ৯০ শতাংশ; খুলনা বিভাগে ২১৯ জন, যা সাত দশমিক ১০ শতাংশ; বরিশাল বিভাগে ১০২ জন, যা তিন দশমিক ৯২ শতাংশ; সিলেট বিভাগে ১৫১ জন, যা চার দশমিক ৯০ শতাংশ; রংপুর বিভাগে ১৭৭ জন, যা তিন দশমিক ৮০ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৭ জন, যা দুই দশমিক ১৭ শতাংশ।

শেয়ার করুন