মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

কক্সবাজার শহর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

শেয়ার করুন

jmt27-640x417২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার পল্টনে জামায়াতের সমাবেশে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সন্ত্রাসীদের লগি-বৈঠা হামলায় নিহত জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের খুনীদের বিচারের দাবিতে এবং সরকারের গুম, খুন, হত্যা, সন্ত্রাস ও জুলুম-নির্যাতনের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে, কক্সবাজার শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার শহর।

২৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে, কক্সবাজার শহর জামায়াত-শিবির নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

মিছিলোত্তর সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, আজ ২৮ অক্টোবর দেশের জাতীয় ইতিহাসের একটি কলঙ্কিত দিন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সন্ত্রাসীরা হাইকমান্ডের নির্দেশে লগি-বৈঠার সন্ত্রাসী তান্ডব চালিয়ে সেদিন পল্টনে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৮ জনসহ ১৪ জন নেতা-কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

আহত করে সহস্রাধিক নেতা-কর্মীকে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সন্ত্রাসীরা পল্টনে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে নৃশংসভাবে তাদের হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা নিহতদের লাশের উপর উঠে উল্লাস-নৃত্য করেছিল।

সেই লোমহর্ষক ও বর্বরোচিত হত্যাকান্ড দেশ ও সারা বিশ্বের মানুষ বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে বিস্ময়ের সাথে অবলোকন করেছে। ঐ দিন ১৪ দলসহ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা যে বর্বরতা সংঘটিত করেছে তা মানব সভ্যতার এ যুগে কল্পনাও করা যায় না। তাই মানবিক মূল্যবোধ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ঘাতকদের বিচারের কোন বিকল্প নেই।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ২৮ অক্টোবরের খুনীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

শেয়ার করুন