মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

কক্সবাজার বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদ গঠিত

শেয়ার করুন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ‘কক্সবাজার বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদ’ নামে একটি সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে। পরিষদ গঠন উপলক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা গত ১৭ নভেম্বর ঐতিহ্যবাহী রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারে অনুষ্ঠিত হয়।
সভার আহবায়ক রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের সহকারী পরিচালক ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় রামু, উখিয়া, টেকনাফ চকরিয়া, মহেশখালী এবং কক্সবাজার সদর থেকে অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উখিয়া থেকে আগত উখিয়া ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক প্লাবন বড়‍ুয়া, শিক্ষক মেধু বড়ুয়া, টেকনাফ থেকে আগত আদিবাসী ফোরামের নেতা উ থোই অং রাখাইন, চকরিয়া থেকে আগত পটল বড়ুয়া, কাজল বড়ুয়া, মহেশখালী থেকে আগত জেমসেন বড়ুয়া, শিক্ষক ছধীর রনজন বড়ুয়া, এডভোকেট আশীষ বড়ুয়া, টিপু বড়ুয়া, সদর থেকে আগত ভুলু বড়ুয়া, শ্যামল বড়ুয়া, এডভোকেট রতন বড়ুয়া, রাজু বড়ুয়া, মংথেনহ্লা রাখাইন, রামুর দুলাল বড়ুয়া,বিপক বড়ুয়া, নয়ন বড়ুয়া, রিটন বড়ুয়া প্রমূখ অনেকে বক্তব্য রাখেন।

মতবিনিময় সভার পরে একুশে পদকপ্রাপ্ত উপসংঘরাজ পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথেরকে প্রধান উপদেষ্টা, প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষুকে সভাপতি, জেমসেন বড়ুয়াকে সাধারণ সম্পাদক এবং রাজু বড়ুয়াকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরি পরিষদ গঠন করা হয়।

পরিষদের সভাপতি প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু জানান, কক্সবাজার জেলার সকল বৌদ্ধ বিহারের পূজনীয় অধ্যক্ষ বৃন্দ এই পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলী হিসেবে থাকবেন। পরে প্রত্যেক উপজেলা থেকে পর্যায়ক্রমে সমাজ সচেতন কিছু ব্যক্তিকে কার্যকরি সদস্য এবং উপদেষ্টা মন্ডলীতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সেচ্ছাসেবাধর্মী উক্ত পরিষদের হিতকামীদের নিয়ে হবে পৃষ্ঠপোষক মন্ডলী।

প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু আরো জানান, আগামী কিছু দিনের মধ্যে পরিষদের রামু, উখিয়া, টেকনাফ, চকরিয়া, মহেশখালী এবং কক্সবাজার সদরের উপজেলা কমিঠি ঘোষনা করা হবে। এই বিষয়ে প্রত্যেক উপজেলা থেকে নেওয়া কেন্দ্রীয় কমিঠির সহ-সভাপতি এবং যুগ্œ-সম্পাদককে স্ব স্ব উপজেলার উপজেলা কমিঠি গঠনের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।

পরিষদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সভায় প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু বলেন, এই পরিষদ কোন সাম্প্রদায়িক চেতনা থেকে সৃষ্ট নয়। জেলার বৌদ্ধদের মধ্যে পারস্পরিক সামাজিক ঐক্য এবং মৈত্রীর সেতুবন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করার লক্ষে এই পরিষদ নিরলস কাজ করবেন। বৌদ্ধ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, পুরাকীর্তি, ভূমি, ধর্মীয় স্থাপনা এবং সমাজ বিপর্যস্ত হলে যেকোন আপদকালীন সময়ে উক্ত পরিষদ ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াবে এবং অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। সভায় পরিষদের গঠনতন্ত্র, নিবন্ধন এবং কার্যপরিধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়।

শেয়ার করুন