২৭ মার্চ, ২০২৬ | ১৩ চৈত্র, ১৪৩২ | ৭ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প

কক্সবাজারে ৫০ হাজার জেলে যাত্রা করেছে বঙ্গোপসাগরে

received_1819527368305496
কক্সবাজার জেলা উপকুলের প্রায় ৫০ হাজার জেলে যাত্রা করেছে বঙ্গোপসাগরে। ২২ দিনের সরকারী নিষেধাজ্ঞা শেষে ৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে আবারো শুরু হয়েছে মাছ ধরা।
এছাড়া উপকুলের আরো অন্তত ২৫ হাজার জেলে সাগরে যেতে অপেক্ষা করছেন। শুক্রবার যেকোন মহুতেই তারা রওনা দেবেন।
কক্সবাজারের ফিশারীঘাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অসংখ্য ট্রলার সাগরে রওয়ানা দিয়েছেন। আবার অনেকেই শুকনো রসদপত্র ও রবফ ভর্তি করে যাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও জেলে পরিবারে চলছে ব্যস্ততা।
কক্সবাজার জেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, জেলায় প্রায় ৫ হাজার মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে। এরমধ্যে বিহিন্দি জালের ট্রলার সমুদ্র উপকূলের কাছাকাছি এবং ইলিশ জালের ট্রলার গভীর সাগরে মাছ ধরে। আর এসব ট্রলারের প্রতিটিতে ১৬ থেকে ২২ জন করে জেলে রয়েছে। বর্তমানে এসব ট্রলারের জেলেরা সাগরে যাত্রা শুরু করেছেন। শুধু কক্সবাজার জেলায় রয়েছে অন্তত অর্ধলক্ষাধিক জেলে।
ফিশারীঘাট মৎস্য ব্যবসায়ী ঐক্য সমবায় সমিতির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জয়নাল আবেদীন সহ স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, কক্সবাজারের উপকূলবর্তী সমুদ্রে বিহিন্দি জাল বা ‘খুঁড়ি জালের’ ট্রলারগুলো মাছ ধরে দিনে গিয়ে দিনেই কুলে ফিরে আসে। মূলত এসব ট্রলারগুলো সাগর থেকে এক প্রকার চিংড়ি ধরে। যাকে স্থানীয় ভাষায় ‘করত্যা ইছা’ বলা হয়। সেসাথে এই ট্রলারের জালে আরো ধরা পড়ে রূপচান্দা, ছুরি, ফাইস্যা, মাইট্টা মাছ, লইট্টাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। তবে এসব ট্রলারেও ছোট ছোট ইলিশ ধরা পড়ে। আবার এক সপ্তাহ বা পক্ষকালের রসদ নিয়ে সাগরে যাওয়া ট্রলারগুলো ইলিশসহ অন্যান্য বড় প্রজাতির মাছ ধরেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।