৭ এপ্রিল, ২০২৬ | ২৪ চৈত্র, ১৪৩২ | ১৮ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার

কক্সবাজারে যৌথ অভিযানে পাকা স্থাপনা ভেঙ্গে ৩ একর বনভূমি উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কক্সবাজার সদর উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে  পাহাড় কেটে অবৈধভাবে গড়ে তোলা পাকা স্থাপনা ভেঙে ৩ একর  বনভূমি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ। জেলা প্রশাসন, র‍্যাব, বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তর গত শনিবার ও রোববার পৃথক যৌথ অভিযান চালিয়ে পাহাড়ে এ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে। অভিযানে নেতৃত্বে দেন কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাকারিয়া।

দক্ষিণ বনবিভাগের সদর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর রঞ্জন সাহা বলেন, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জের ঝিলংজা মৌজার সরকারি রক্ষিত বন ভূমির লিংকরোড বিটের মোহরীপাড়া, কলাতলী বিটের চন্দ্রিমা এলাকা এবং কলাতলীর লাইটহাউজ পাড়ায় বনের জায়গায় পাহাড় কেটে দালান নির্মাণের তথ্য আসে।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) সরোয়ার আলমের নির্দেশনায় কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাকারিয়ার নেতৃত্বে যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে নির্মিতব্য পাকা দেওয়াল ও ঘর ভেঙে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় পাহাড় দখল করে মাটি কাটার পর ঘর তৈরি করা লিংক রোড মুহুরীপাড়ার আহমেদ করিমসহ একাধিক জনের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে মামলা হচ্ছে। এছাড়া গতকাল রোববার কলাতলীর লাইটহাউজ এলাকার বাঘঘোনা নামক স্থানে অবৈধভাবে  সরকারি ১নং খাস খতিয়ান  ভুক্ত পাহাড় কেটে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করে ভূমি দখলের চেষ্টা প্রতিহত করে উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়াও শহরের লারপাড়া ও পুলিশ লাইনের পিছনে পাহাড় কাটা স্থান পরিদর্শন করে পরিবেশ আইনের আওতায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) সরোয়ার আলম বলেন, কক্সবাজারে বনভূমি পরিমাণের বিপরীতে লোকবল কম। কিন্তু বনকে অবৈধভাবে ক্ষতবিক্ষত ও ভোগ করার লোকজন বেশি। দখলবাজ ও ক্ষমতাবানরা একীভূত হয়ে পাহাড় ও বন ধ্বংস করায় অনেক সময় অনেককিছু বনকর্মীদের অগোচরে থাকে। তবে যখনই কোনো পাহাড় কর্তন ও বনে পাকা দালান গড়ার তথ্য আসে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।