মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

কক্সবাজারে দখলের ভয়ে নির্মিত টিএম বার্মিজ মার্কেট বন্ধ; অর্ধশত কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিনিধি:
কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে নির্মিত টিএম বার্মিজ মার্কেট দখল করতে বারবার হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। দুর্বৃত্তদের হামলার ভয়ে গেল কয়েকমাস ধরে মার্কেটটি খুলতে না পেরে ব্যবসায়ীদের অর্ধশত কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কেট মালিকরা। মার্কেট মালিকদের অভিযোগ পৌরসভার দক্ষিণ বাহারছড়ার এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু, সরকারি খাস জমি দখলবাজ আব্দুল্লাহ এবং সৈয়দ মোহাম্মদ মুসা শতশত নারী ব্যবহার করে তাদের নির্মিত মার্কেট দখল করতে যায়। থানা পুলিশের তৎপরতার কারণে তারা মার্কেটটি রক্ষা করতে পেরেছেন তারা। বর্তমানে দখলবাজ চক্রের অব্যাহত হুমকিতে ব্যবসায়ী ও মার্কেট মালিক নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে দাবি করেছেন। মার্কেট মালিক আব্দু ছবুর জানান, বিএস ১৭৫১ খতিয়ানে ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমিতে অনেক বছর ধরে একটি মার্কেট নির্মাণ করে ব্যবসা করছেন তারা।
সম্প্রতি এটিকে পর্যটন শিল্প বন্ধব করতে সংস্কার করে নতুন করে একটি ‘টিএম বার্মিজ মার্কেট’ নির্মাণ করা হয়। এর পরেই মার্কেটটি দখলে নিতে কয়েক দফা হামলার চেষ্টা চালিয়েছে  আব্দুল্লাহ ও মুসা গ্যং।
মার্কেট মালিকদের দেয়া তথ্য মতে, জনৈক আব্দুল করিম স্বত্ব দাবি করে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটে একটি এমআর মামলা দায়ের করেন (যার নং-১৭৮৩/২২)। মামলাটি সরজমিনে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেন সহকারী কমিশনারের পক্ষে তহসিলদার। প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিজ্ঞ আদালত মামলাটি খরিজ করে দেন।
হোসনে আরা নামে আরেক মার্কেট মালিক জানান, দখলবাজ চক্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে আমরা একটি এমআর মামলা দায়ের করি (যার নং-১৮৫৫/২২)। মামলাটিও তদন্ত প্রতিবেদন দিলে আদালত মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও সৈয়দ মোহাম্মদ মুসা গ্যাংদের বিরুদ্ধে বারিত আদেশ প্রদান করেন আদালত। এবং মার্কেটে ব্যবসায়ীরা যেন নিরাপদে ব্যবসা করতে পারে সেজন্য সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কক্সবাজার মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দেন।
আইনী লড়াইয়ে চূড়ান্তভাবে হেরে যাওয়ার পর আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে ভূমিদস্যু আব্দুল্লাহ গ্যং মার্কেট দখলের জোরচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।  তিনি বলেন, জায়গা জমির বিষয়টি দলিলে প্রমাণ হয়। কিন্তু তারা জোর করে দখলে নিতে চাই। কারন দখলবাজি তাদের নেশা এবং পেশা। বর্তমানে তারা হিলডাউন সার্কিট হাউস এবং কলাতলী আনবিক শক্তিকমিশন এলাকায় সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করে রেখেছে ভূমিদস্যু আব্দুল্লাহ ও মুসা গ্যং। দুর্বৃত্তদের অব্যাহত হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেন তিনি। ব্যবসায়ী জেবর মল্লুক বলেন, মার্কেট খুলতে না পেরে আমাদের অর্ধশত কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নষ্ট হয়ে অনেক পণ্যও। আমরা আশা করছি থানা প্রশাসন আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করবে।

শেয়ার করুন