মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

কক্সবাজারের ৫ উপজেলায় সেনা ও ৩ উপজেলায় নৌবাহিনী নেমেছে

শেয়ার করুন

শাহেদ মিজান: করোনা রোধে লোকজনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে কক্সবাজারে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী ও নৌ-বাহিনীর সদস্যরা। আজ বুধবার দুপুর ১টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ উপজেলায় সেনাবাহিনী ও তিন উপজেলা নৌবাহিনী টহলে নেমেছে। এরমধ্যে নয়টি সেনাবাহিনী দল এবং পাঁচটি নৌ দল থাকবে। জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা প্রশাসক জানান, করোনা রোধে জনসাধারণে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে সারাদেশের মতো কক্সবাজারে পাঁচ উপজেলায় সেনাবাহিনী টহল নামানো হয়েছে এবং উপকূলীয় তিন উপজেলায় নৌবাহিনীর টহল নামানো হয়েছে। আট উপজেলার মধ্যে কক্সবাজার সদর, রামু, উখিয়া, পেকুয়া ও চকরিয়া টহল দিবে সেনাবাহিনী এবং উপকূলীয় উপজেলা কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও টেকনাফে টহলে নেমেছে নৌবাহিনী।

জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন বলেন, করোনা রোধে সরকার হার্ডলাইনে রয়েছে। সাধারণ মানুষকে ঘর বের না হতে ইতোমধ্যে অনেক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মানুষের চলাচলের নিয়ন্ত্রণ শতভাগ নিয়ন্ত্রণ করতে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী দল নামানো হয়েছে। টহলরহ সেনবাহিনী ও নৌবাহিনী গণজমায়েত রোধ করতে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে কার্যকরী ব্যবস্থা নেবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, করোনা নিয়ে সর্বস্তরের লোকজনকে সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই বাড়ি থেকে হবেন না। দরিদ্র পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য এবং টাকা বাড়ি পৌঁছে দেয়া হবে।

শেয়ার করুন