১২ মার্চ, ২০২৬ | ২৭ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২২ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

কক্সবাজারের সোনাদিয়ায় চলছে শুটকি মাছ উৎপাদনের ধুম

shutki-sonadia-640x480কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের সোনাদিয়া দ্বীপে শুটকি মাছ উৎপাদনের ধুম পড়েছে। জীব বৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটি অনন্য সুন্দর দ্বীপ। দ্বীপটির আয়তন ৭ বর্গকিলোমিটার।

কক্সবাজার জেলা সদর থেকে ৯ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মহেশখালী চ্যানেলের মহেশখালী দ্বীপের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত সোনাদিয়া বঙ্গোপসাগর ঘেষে অবস্থিত সোনাদিয়ার চর এলাকায় হাজার হাজার জেলে ক্ষনস্থায়ী আবাস স্থান তৈরী করে ফিশিং কৃত মাছ শুকিয়ে, শুটকি মহাল তৈরী করে কোটি কোটি টাকার মাছ দেশে বিদেশে রপ্তানী করে স্বাবলম্বী হচ্ছে।

সোনাদিয়ার প্যারাবন, চর, খাল ও মোহনায় নানা প্রজাতির মাছ ও অমেরুদন্ডী প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল। এখানে ৮০ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। এখানে ১৯ প্রজাতির চিংড়ি, ৫৭ প্রজাতির শামুক-ঝিনুক এবং ৮ প্রজাতির কাঁকড়া পাওয়া যায়।সোনাদিয়া ইসিএ-র খাল, মোহনা এবং তীরবর্তী সমুদ্র এলাকায় বৈশ্বিকভাবে বিপন্ন ইরাওয়াদ্দি ডলফিন, বটলনোজ ডলফিন এবং পরপয়েজ দেখা যায়।

এছাড়া প্যারাবনে মেছো বাঘ ও উদবিড়াল আছে। স্থলভূমির বন্যপ্রাণীর মধ্যে শিয়াল ও বাদুর উল্লেখযোগ্য। শুটকি মাছের মধ্যে লইঠ্যা,চিংড়ি,ফাসিয়া,রুপচাদা,কামিলা, লাওক্ষা, করতি, চুরি,রুপসা,সুরমা ও বিভিন্ন প্রজাতের মাছ দৈনিক লক্ষ-লক্ষ টাকার মাছ ব্যবসায়ীরা ক্রয়-বিক্রয় করে।

এই মূল্যবান মাছ গুলি চট্টগ্রামের আছদগঞ্জ, ঢাকা, সিলেট, উত্তরবঙ্গের বগুড়া, রংপুর, পাবনা, টাঙ্গাইল সহ দেশের বড়-বড় শহরে রপ্তানি করা হয় এবং বিদেশ আমেরিকা, বৃটেন, থাইল্যান্ড, জার্মান, সৌদিয়া, দুবাই সহ উন্নত দেশে রপ্তানি করে কোটি কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে। এ ছাড়া ও কক্সবাজারের নাজিরার টেক, ধলঘাটার সাপমারার ডেইল এলাকায় মাছ শুকানোর ধুম পড়েছে বলে জানাগেছে।

সোনাদিয়ার চরের ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দীন জানান, চর থেকে কোটি কোটি টাকার শুকনা মাছ ক্রয়-বিক্রয় করে ঢাকা, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, চট্রগ্রাম, খাগড়াছড়ি সহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে প্রচুর লাভবান হয়।

ব্যবসায়ী ছৈয়দ হোসেন জানান, চর থেকে দৈনিক প্রায় লক্ষ-লক্ষ টাকার মাছ কিনে বিভিন্ন জায়গার আমার নির্ধারিত ব্যবসায়ীদের কে সাপ্লাই দিয়ে প্রচুর টাকা লাভবান হই।

ব্যবসায়ী ও ফিশিং ট্রলারের মালিক রশিদ আহমদ জানান, আমি সুযোগ বুঝে সস্তা দাম দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ গুদামজাত করে রাখি তা বর্ষাকালে দাম চড়া হলে বিক্রি করা হয়। বর্তমানে চুটকি উৎপাদনে পুরা সোনাদিয়ার চর এলাকায় মাচা তৈরি করে জেলারা চুটকি উৎপাদন করছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।