২০ মার্চ, ২০২৬ | ৬ চৈত্র, ১৪৩২ | ৩০ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

“এক সঙ্গে দুই সরকারী চাকরী করেন চট্রগ্রামের জেলা স্বাস্হ্য তত্বাবধায়ক” শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

এক সঙ্গে দুই সরকারী চাকরী করেন চট্রগ্রামের জেলা স্বাস্হ্য তত্বাবধায়ক” শিরোনামে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি কুচক্রীমহলের প্ররোচনায় মিথ্যা,বানোয়াট এবং অসত্য তথ্য উপস্হাপন করে ২৬ /১১/২০১৯ খ্রী তারিখে চট্রগ্রাম প্রতিদিন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

প্রথমেই এটা উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, যে সকল অভিযোগসমূহ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে তা ইতিপূর্বে পার্বত্য জেলা পরিষদ,পুলিশ ভেরিফিকেশন, সিভিল সার্জন রাংগামাটি,বান্দরবান ও ফেনী, পরিচালক ( স্বাস্হ্য) চট্রগ্রাম, স্বাস্হ্য অধিদফতর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়, দুদক, পুলিশ বূ্্যরো অব ইনভেস্টিগেশন ( পিবিআই) সংস্থা তদন্তক্রমে নিষ্পত্তি করেছে। সবগুলো তদন্তে এসব অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে। নিষ্পত্তিকৃত ও মিথ্যা প্রমাণিত অভিযোগসমূহ উল্লেখ করে সংবাদ পরিবেশন অত্যন্ত গর্হিত ও অন্যায়। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে তথ্যনির্ভর ও প্রমান সাপেক্ষ হওয়া কাম্য। এই সংবাদ
আমার সাথে সাথে তদন্তকারী সংস্থা ও সরকারি সিদ্ধান্তের ব্যাপারেও আঙুল নির্দেশ করেছে। এ বিষয় নিয়ে লেখার পূর্বে উনাদের অবশ্যই যাচাই বাছাই করে নেওয়া উচিৎ ছিলো। আমি এই মিথ্যা ও ভিত্তীহীন সংবাদের বিষয়ে কড়া ভাষায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সংবাদটিতে উল্লেখ করা হয়েছে ” তথ্য গোপন, ভূয়া নাগরিকত্ব ও জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে একই ব্যক্তি দুই চাকরি করে আসছেন। “এই অভিযোগটি বানোয়াট । আমি বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে স্যানিটারী ইন্সপেক্টর হিসেবে নিয়োগ লাভ করি, এক্ষেত্রে আইনের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে,স্যানিটারী ইন্সপেক্টর পদে কাকেও সরাসরি নিয়োগ প্রদান করা হয় না। বিভাগীয় প্রার্থী তথা স্বাস্হ্য সহকারীদের মধ্যে যারা তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি ( স্যানিটারী ইন্সপেক্টরশীপ) কোর্স সম্পন্ন ডিপ্লোমা অর্জনকারীদের স্যানিটারী ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগ/ পদোন্নতি প্রদান করা হয়। আমি স্বাস্হ্য সহকারী হিসেবে উক্ত ডিপ্লোমা অর্জন করায় আমি বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হই। পরবর্তীতে যথাবিধি অনুসরনে জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি লাভ করি। জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ও জেলা স্বাস্হ্য তত্বাবধায়ক পদ দুটি সমস্কেলভুক্ত ১০ গ্রেডের পদ।২০১৮ সালের নিয়োগবিধি মতে জ্যেষ্ঠতার তালিকা প্রনয়নপূর্বক যাচাই বাছাই শেষে জেলা স্বাস্হ্য তত্বাবধায়ক পদে পদায়ন করা হয় মাত্র, পদোন্নতি নয়। ।

বিভাগীয় স্বাস্হ্য তত্বাবধায়ক পদটি এক যুগেরও বেশী কাল শূন্য থাকায় জনস্বার্থ বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ মাঠকাজের গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয় মাত্র, তবে কোন অবস্হাতেই পদোন্নতি নয়।

বান্দরবান ও ফেনী জেলায় অত্যন্ত সুনামের সাথে আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি। “ফেনী জেলায় ৬ জন স্যানিটারী ইন্সপেক্টর অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ তোলার বিষয়টি” মিথ্যা ও বানোয়াট। অপরাপর সকল অভিযোগসমূহ কাল্পনিক।

আমি উক্ত প্রতিবেদনে প্রকাশের তীব্র নিন্দা জানাই।

নিবেদক
সুজন বড়ুয়া
জেলা স্বাস্হ্য তত্বাবধায়ক
সিভিল সার্জন কার্যালয়, চট্রগ্রাম।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।