মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

উখিয়া কলেজের জায়গা দখলের অভিযোগ অধ্যক্ষের

শেয়ার করুন

SAMSUNG CAMERA PICTURES
উখিয়া কলেজের ভোগদখলীয় ৮০ শতক জায়গার জবর দখলের ঘটনা নিয়ে কলেজ অধ্যক্ষ এম. ফজলুল করিম প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে বলেন, উক্ত জমিটি কলেজ ও কলেজ মসজিদের মধ্যখানে হওয়ায় স্থানীয় বনবিভাগকে অবহিত করা হলে বনবিভাগ উক্ত জমিটি কলেজ কর্তৃপক্ষের নিকট দখল বুঝিয়ে দেন। ১৯৯৯ সালে তৎকালীন রেঞ্জ কর্মকর্তা ডিএন অধিকারী ও বিট কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জায়গাটির মধ্যখানে একটি ড্রেন করে কলেজের জায়গাটি চিহ্নিত করে দেন। উক্ত জায়গাটি স্থানীয় আলি চাঁন মেম্বার তার লীজকৃত জমি দাবী করলেও বনবিভাগ তার দাবীটি অযৌক্তিক আখ্যায়িত করে তার প্রস্তাব নাকচ করে দেন। অধ্যক্ষ এম. ফজলুল করিম আরো জানান, এমতাবস্থায় গত বৃহস্পতিবার থেকে উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মুজিবুল হক আজাদ উক্ত জায়গাটির চারদিকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মুজিবুল হক আজাদ সাংবাদিকদের জানান, উক্ত জায়গাটি সে আলী চাঁন মেম্বার থেকে ক্রয় করে সীমানা প্রাচীর দেওয়ার জন্য নির্মাণ সামগ্রী মজুদ করা হয়েছে। তিনি এও জানান, উক্ত জায়গাটি আলী চাঁন মেম্বার ৯৯ বছরের জন্য বনবিভাগ থেকে লিজ প্রাপ্ত হয়েছেন। যুবলীগ নেতা মাসুদ আমীন সাকিল জানান, তাদের ভোগদখলীয় ৮০ শতক জমি থেকে ইতিপূর্বে প্রায় ৩০ টি মাদার ট্রি লুটপাটের অভিযোগে কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থল তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় অধ্যক্ষের নিকট থেকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। এতে প্রমাণিত হয় ওই জায়গাটি কলেজের নয়। বর্তমানে ওই জায়গার উপর আমাদের সৃজিত প্রায় ৫শতাধিক ফলজ ও বনজ গাছ রয়েছে। যা সংরক্ষণের জন্য সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করলে কলেজ অধ্যক্ষ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালায়।

শেয়ার করুন