১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৬ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প

উখিয়ায় ৪টি অবৈধ করাত কলে অভিযান, ২টি জব্দ, গ্রেফতার-১

উখিয়া বনরেঞ্জের আওতাধীন ৫ ইউনিয়নে বনবিভাগের বন সম্পদ ধ্বংসে করে যাচ্ছে উখিয়ার অন্তত ৩৫টি করাত কল। এসব করাত কলে চোরাই কাঠ চিরাই বাণিজ্য আশংখাজনক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ যৌথ ট্রান্সফোর্স টিম হলদিয়া বন বিটের ৪টি করাত কলে অভিযান চালিয়ে হাতে নাতে ২টি জব্দ করে এবং একজনকে গ্রেফতার করেছে। জব্দকৃত করাতকলের মালিক-সেলিম উদ্দিন ও জহির আহমদ চৌধুরী। এছাড়াও পাশর্^বর্তী আরো ২টি করাতকলে অভিযান চালায় ট্রান্সফোর্স টিম।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিন বলেন, অবৈধ উপায়ে করাতকল বসিয়ে চোরাই কাঠ চিরাই করে উখিয়ার বেশ কয়েকটি অবৈধ করাতকল। এসব করাতকলে অভিযান চালানোর পূর্বেই খবর পাওয়ায় অভিযান সফল করা যাচ্ছেনা।

গতকাল বুধবার বিকেলে উখিয়ার রতœাপালং ইউনিয়নের ঝাউতলাস্থ ৪টি করাতকলে অভিযান চালিয়ে ২টি জব্দ করে রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে । বাকী ২টির মালিক খবর পেয়ে করাতকল অন্যত্রে সরিয়ে নিলেও চোরাই কাঠ জব্দ করা হয়েছে। এসময় অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারের দায়ে জহির আহমদ চৌধুরী নামে ব্যক্তিকে আটক করে পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৫হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযানে বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম, পুলিশ, বনকর্মীরা সাথে ছিলেন।
সুত্রে জানা গেছে. উপজেলার ২৪হাজার হেক্টর ধ্বংস করতে ৩৫টি করাত কল। এ গুলো হচ্ছে-পালংখালী ইউনিয়নে থাইংখালী, পুর্ব রহমতের বিল, ও তাজনিমার খোলায় ৪টি, কুতুপালং ১টি, ফলিয়া পাড়া ২টি, হাজির পাড়া ২টি, টাইপালং ১টি, পিনজির কুল ১টি, হিজলিয়া ১টি, জালিয়া পালং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি ১টি, কোট বাজার ১টি, মাতবর পাড়া ২টি, ও মরিচ্যা ২টি সহ মোট ৩৫টি অবৈধ স’মিলে দিনরাত হাজার হাজার ঘন ফুট চিরাই কাঠ সাইজ করা হচ্ছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।