২৯ আগস্ট, ২০২৫ | ১৪ ভাদ্র, ১৪৩২ | ৫ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান   ●  “প্লাস্টিক উৎপাদন কমানো না গেলে এর ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব নয়”   ●  নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কক্সবাজারে তাঁতীদলের খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন   ●  বৃহত্তর হলদিয়া পালং বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজ মেম্বারের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  মরিচ্যা পালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা   ●  রামুতে বনবিভাগের নির্মাধীন স্থাপনা উচ্ছেদ নিয়ে প্রশাসন ও বনকর্মীদের মাঝে প্রকাশ্যে বাকবিতন্ডা   ●  সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ নুরের মৃত্যুতে জেলা বিএনপির শোক   ●  চুরি করতে গিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী ধর্ষণ   ●  আজ রিমান্ডে পেকুয়া নেওয়া হচ্ছে জাফর আলমকে, নিরাপত্তার শঙ্কা!   ●  কক্সবাজারে ঝটিকা মিছিলে ঘুম ভাঙলো পুলিশের, গ্রেফতার ৫৫

উখিয়ায় ৪টি অবৈধ করাত কলে অভিযান, ২টি জব্দ, গ্রেফতার-১

উখিয়া বনরেঞ্জের আওতাধীন ৫ ইউনিয়নে বনবিভাগের বন সম্পদ ধ্বংসে করে যাচ্ছে উখিয়ার অন্তত ৩৫টি করাত কল। এসব করাত কলে চোরাই কাঠ চিরাই বাণিজ্য আশংখাজনক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ যৌথ ট্রান্সফোর্স টিম হলদিয়া বন বিটের ৪টি করাত কলে অভিযান চালিয়ে হাতে নাতে ২টি জব্দ করে এবং একজনকে গ্রেফতার করেছে। জব্দকৃত করাতকলের মালিক-সেলিম উদ্দিন ও জহির আহমদ চৌধুরী। এছাড়াও পাশর্^বর্তী আরো ২টি করাতকলে অভিযান চালায় ট্রান্সফোর্স টিম।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিন বলেন, অবৈধ উপায়ে করাতকল বসিয়ে চোরাই কাঠ চিরাই করে উখিয়ার বেশ কয়েকটি অবৈধ করাতকল। এসব করাতকলে অভিযান চালানোর পূর্বেই খবর পাওয়ায় অভিযান সফল করা যাচ্ছেনা।

গতকাল বুধবার বিকেলে উখিয়ার রতœাপালং ইউনিয়নের ঝাউতলাস্থ ৪টি করাতকলে অভিযান চালিয়ে ২টি জব্দ করে রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে । বাকী ২টির মালিক খবর পেয়ে করাতকল অন্যত্রে সরিয়ে নিলেও চোরাই কাঠ জব্দ করা হয়েছে। এসময় অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারের দায়ে জহির আহমদ চৌধুরী নামে ব্যক্তিকে আটক করে পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৫হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযানে বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম, পুলিশ, বনকর্মীরা সাথে ছিলেন।
সুত্রে জানা গেছে. উপজেলার ২৪হাজার হেক্টর ধ্বংস করতে ৩৫টি করাত কল। এ গুলো হচ্ছে-পালংখালী ইউনিয়নে থাইংখালী, পুর্ব রহমতের বিল, ও তাজনিমার খোলায় ৪টি, কুতুপালং ১টি, ফলিয়া পাড়া ২টি, হাজির পাড়া ২টি, টাইপালং ১টি, পিনজির কুল ১টি, হিজলিয়া ১টি, জালিয়া পালং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি ১টি, কোট বাজার ১টি, মাতবর পাড়া ২টি, ও মরিচ্যা ২টি সহ মোট ৩৫টি অবৈধ স’মিলে দিনরাত হাজার হাজার ঘন ফুট চিরাই কাঠ সাইজ করা হচ্ছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।