১৩ মার্চ, ২০২৬ | ২৮ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৩ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

উখিয়ায় ১৯ শয্যার সম্প্রসারিত হাসপাতাল ভবন তালাবদ্ধ ৩ বছর

SAMSUNG CAMERA PICTURES
উখিয়ার ১৯ শয্যার সম্প্রসারিত হাসপাতাল ভবনটি তালাবদ্ধ রয়েছে ৩ বছর ধরে। ৩১ শয্যার এ হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে গত ২০১২ সালের ২ জুলাই সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদি ১৯ শয্যার সম্প্রসারিত এ ভবনটি আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করলেও অজ্ঞাত কারণ বশত: তালাবদ্ধ থাকায় হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম নিয়ে জনমনে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
গতকাল শনিবার সকাল ১০ টার দিকে হাসপাতাল ঘুরে কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা যায, হাসপাতালের একাংশে রোগীদের টিকেট সরবরাহ ছাড়া অন্য কোন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে না। জানতে চাওয়া হলে হাসপাতালের দায়িত্বরত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মোঃ ফিরোজ খান জানান, অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হলেও সে অনুপাতে চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জনবল বাড়ানো হয়নি। যে কারণে ৩১ শয্যার আদলে হাসপাতাল চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, এ হাসপাতালটি এখন সম্পূর্ণ অরক্ষিত। হাসপাতালের বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় হাসপাতালের মধ্য দিয়ে চলাচল করছে সাধারণ জনগন। রাতের বেলায় অচেনা লোকজনের সন্দেহ জনক ঘুরোফেরা নিয়ে একটি অস্বস্তিকর পরিবেশের কারণে চিকিৎসকেরাও উদ্বিগ্ন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জানা গেছে, ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠালগ্নে এ হাসপাতালে যে জনবল, চিকিৎসা সরঞ্জাম সহ আনুসাঙ্গিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে চিকিৎসা যাত্রা শুরু হয়ে ছিল তার বিন্দু মাত্রও উন্নয়ন হয়নি। উপরোন্তু হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা থেকে শুরু করে সার্বিক বিষয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরো জানান, বর্তমানে এ হাসপাতালে ডাক্তার আরিফা মেহের, ডা: কমলিকা ও ডা: সায়িকা ও ডা: রাজিব সহ ৪ জন ডাক্তার থাকলেও তাদেরকে বিভিন্ন সময়ে প্রত্যন্ত জনপদে প্রতিষ্ঠিত ৪টি ক্লিনিকে দায়িত্বপালন করতে হয়। হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি উপজেলা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ চৌধুরী জানান, এ হাসপাতালে ডাক্তারদের বদলি করা হলেও অজ্ঞাত কারণ বশত: তারা প্রায় সময় কর্মস্থলে থাকে না। বেশিরভাগ চিকিৎসক অন্যত্রে বদলি হয়ে যাওয়ার তদবিরে ব্যস্ত থাকে। যে কারণে হাসপাতালের চিকিৎসার সেবার উন্নয়ন হচ্ছে না।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।