২৯ আগস্ট, ২০২৫ | ১৪ ভাদ্র, ১৪৩২ | ৫ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান   ●  “প্লাস্টিক উৎপাদন কমানো না গেলে এর ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব নয়”   ●  নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কক্সবাজারে তাঁতীদলের খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন   ●  বৃহত্তর হলদিয়া পালং বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজ মেম্বারের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  মরিচ্যা পালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা   ●  রামুতে বনবিভাগের নির্মাধীন স্থাপনা উচ্ছেদ নিয়ে প্রশাসন ও বনকর্মীদের মাঝে প্রকাশ্যে বাকবিতন্ডা   ●  সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ নুরের মৃত্যুতে জেলা বিএনপির শোক   ●  চুরি করতে গিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী ধর্ষণ   ●  আজ রিমান্ডে পেকুয়া নেওয়া হচ্ছে জাফর আলমকে, নিরাপত্তার শঙ্কা!   ●  কক্সবাজারে ঝটিকা মিছিলে ঘুম ভাঙলো পুলিশের, গ্রেফতার ৫৫

উখিয়ার বনভূমিতে ৬ হাজার অবৈধ বসতবাড়ি


উখিয়া সদর ও ইনানীর বন জবর দখল করে বসবাস করছে প্রায় ৬ হাজার পরিবার। যাদের অধিকাংশই রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিসহ একাধিক স্বচ্ছল পরিবার। অবৈধ দখল প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকাবাসীর জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশংকা ছাড়াও পর্যটন পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন পরিবেশবাদী সচেতন মহল। উখিয়া সদর বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম বনভূমি জবর দখলের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, স্থানীয়রা আন্তরিক না হলে বনভূমির অস্থিত্ব রক্ষা করা স্বল্প সংখ্যক বনকর্মীদের পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি বলেন, উখিয়া সদর রেঞ্জের ২১ হাজার একর বনভূমি রক্ষণাবেক্ষণের ৮টি বনবিটে ৮ জন বনবিট কর্মকর্তা থাকলেও তাদের একার পক্ষে বনভূমি জবর দখল ঠেকানো ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, সম্প্রতি বনভূমির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে বালুখালী বনবিট কর্মকর্তা মোবারক আলী ও থাইংখালী বনবিট কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়েছে। জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইনানী ২০ হাজার একর বন রক্ষায় ২০০৮ সালে আরণ্যক ফাউন্ডেশন, শেড ও বনবিভাগ যৌথ ভাবে ১০ হাজার একর বনভূমিতে জাতীয় উদ্যান বাস্তবায়নের পরিকল্পনা হাতে নিয়ে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে উক্ত ১০ হাজার একর বনভূমিতে বনায়ন সৃজন, জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ও বন্য পশুপ্রাণী উন্নয়নে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে বলে শেডের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা আবু সারওয়ার জানিয়েছেন। সরেজমিন ইনানীর চোয়াংখালী, মাদারবনিয়া, ছেপটখালী, মনখালী এলাকাঘুরে দেখা যায়, জাতীয় উদ্যান প্রকল্পের আওতায় প্রায় শতাধিক পাকা বসতবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। মাদার বনিয়ার টেক এলাকায় এলজিইডি সড়ক সংলগ্ন বনভূমিতে গড়ে তোলা পাকা মার্কেটের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে অভিযুক্ত মৌলভী শফি জানান, সে ইনানী রেঞ্জ কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে মার্কেট নির্মাণ করছে। ইনানী বন রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইব্রাহিম হোসেন মার্কেট নির্মাণের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এসব স্থাপনা নির্মাণে বাধাঁ দিলে বিভিন্ন এলাকা থেকে মুঠোফোনে হুমকি ধমকি প্রদর্শন করা হয়। উখিয়া-টেকনাফের সহকারি বন সংরক্ষক সরওয়ার-ই-আলম জানান, উখিয়া ও ইনানীর বন রেঞ্জে প্রায় ৬ হাজার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার ব্যাপারে আদালতে উচ্ছেদ মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইনানী বন রক্ষা সহায়ক কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী জানান, বনভূমি রক্ষায় দায়িত্বে নিয়োজিত বনকর্তা ব্যক্তিদের অসদুপায় অবলম্বণের কারণে ইনানীর জাতীয় উদ্যান হুমকির মুখে পড়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।