১৪ মার্চ, ২০২৬ | ১ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৪ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

ঈদগাঁওতে হারাম টাকায় হালাল কাজ!

download
হারাম পন্থায় অবৈধ উপার্জন করে সেই টাকাকেই হালাল করতে শেষদিকে ধর্মীয় কাজে যৎসামান্য ব্যায় করার নামে ধর্মীয় অনুভুতিকে পুঁজি করে আত্মপ্রচার করায় ব্যাপক আলোচনার সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে ঈদগাঁওর একটি বির্তকিত ক্লাব। আসন্ন পবিত্র রমজানের ইফতার সেহরীর সময়সূচী সম্বলিত হ্যান্ডবিলে নিজেদের ছবি ব্যবহার করায় সৃষ্টি হয়েছে তুমুল বিতর্ক। জানা যায়, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বৃহত্তর ঈদগাঁওর বিভিন্ন স্থানে বলীখেলা ও বৈশাখী মেলার নামে জুয়ার আসর শুরু হয় দুই মাস আগে থেকে। রকমারী জুয়ার ঐসব রমরমা আসর থেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করে ভাগবাটোয়ারা করে নেয় একটি ক্লাবের সদস্যরা। বিগত ১লা বৈশাখ থেকে বৃহত্তর ঈদগাঁওর ৭ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন গড়ে ৩/৪টি বলীখেলা থেকে ৫/৬ হাজার করে চাঁদা আদায় করে তারা। বিগত ২ মাসে ঈদগাঁওর বিভিন্ন স্থানে সফলভাবে সম্পন্ন প্রায় তিনশত বলীখেলা থেকে এভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয় তারা। সম্প্রতি রমজান মাস সমাগত হওয়ায় এতদিনের চাঁদাবাজিকে হালাল করতে ইফতার সেহেরীর সময়সূচী সম্বলিত হ্যান্ডবিল ছাপিয়ে জনসাধারনের মধ্যে বিলি করে তারা। ইফতার সেহরীর সময়সূচীর পাশাপাশি উক্ত হ্যান্ডবিলে সদস্যদের কোট-টাই সম্বলিত ছবিও ছাপায় তারা। ধর্মীয় ব্যাপারে ছাপানো হ্যান্ডবিলে ১০/১১টি ছবি দিয়ে আত্মপ্রচার করায় উক্ত হ্যান্ডবিল নিয়ে সাধারণ মুসল্লীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মুসল্লী মমতাজ বলেন, রমজান উপলক্ষে ছাপানো ইফতার সেহেরীর চার্টে ১০/১২ জন লোকের ছবি বেমানান ও ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানার শামিল। রাগে/ক্ষোভে ধর্মপ্রাণ অনেকে মুসল্লী এসব চার্ট ছিড়ে ফেলেছেন। বিভিন্ন ধান্ধাবাজির কারনে চরম বিতর্কিত উক্ত সংগঠনের সদস্যদের পারস্পরিক বিশ্বাস না থাকায় প্রতিটি বলীখেলা থেকে চাঁদা সংগ্রহের পরপরই ভাগ-বাটোয়ারা করা হত। কিন্তু সম্প্রতি ২/১টি বলীখেলা থেকে আদায় করা টাকা ভাগ না করে রমজানের লিফলেট ছাপানোর কাজে খরচ করার কারনে ক্ষুব্দ হয় একাধিক সদস্য। এনিয়ে সৃষ্ট ঝগড়া-বিবাদের ফলে ভিতরের কথা বাইরে বেরিয়ে আসে। মুসল্লীরা বলেন, সারাদিন রোজা রেখে সন্ধ্যায় ইফতার করার আগে অজু করে পাক পবিত্র হয়ে ইফতার করতে বসেন রোজাদাররা। এ সময় ইফতারের সময় দেখতে করতে গিয়ে লিফলেটে ১০/১২টি ছবি দেখলে অজুর ক্ষতি হওয়া ও ইফতারের সময় অন্যমনষ্ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র মাহে রমজানকে পুঁিজ করে আত্মপ্রচারে নামা জ্ঞানপাপীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার দাবী জানিয়েছেন বৃহত্তর ঈদগাঁওর ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।