মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

ঈদগাঁওতে লাখ টাকায় আকাশি খুঁটিতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন!

শেয়ার করুন

shomoy
কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে লাখ টাকায় অবৈধ খুঁটিতে বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ সংবাদে এলাকায় চলছে তোলপাড়। নেপথ্যে বিদ্যুৎ কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সংশ্লিষ্টতার আশংকা করছে স্থানীয়রা। জানা যায়, বিগত এক বছর পূর্বে রাতারাতি পল্লী বিদ্যুতের একটি খুঁটি ঈদগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজপাড়া মসজিদ সংলগ্ন কাঁদা পুকুর পাড়ে স্থাপন করে একটি অবৈধ খুঁটি। যা থেকে তৎসংলগ্ন মৃত আবুল ফয়েজের সৌদি প্রবাসী ছেলে ফয়েজুল আমিনের বাড়ীতে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে যায়। তখন লাখ টাকার বিনিময়ে এ খুঁটি কোন না কোন স্থান থেকে অবৈধভাবে সংগ্রহ করে রাতারাতি স্থাপনের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে এতে জড়িতরা থমকে যায়। অভিযোগ উঠে জিহাদ নামে এক যুবকের মাধ্যমে ইলেকট্রিক মিকার আবদুল আজিজ, প্রকাশ ভেটেক এ খুঁটি স্থাপনে সহযোগিতা করে। দীর্ঘ এক বছর পর বিগত ২/৩ মাস পূর্বে অবৈধভাবে প্রবাসীর বাড়ীতে সংযোগ নিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু করে এবং মিটারের জন্য ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ এরিয়া অফিসে আবেদন করে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়। এলাকাবাসী দীর্ঘসময় পর একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানায়, এ গর্হিত কাজ পল্লী বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারীদের যোগসাজস ছাড়া হতে পারে না। তাই তদন্ত পূর্বক এ অবৈধ খুঁটির উৎস, স্থাপনে জড়িত ও তাদের সহযোগিতাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। উক্ত অভিযোগের বিষয়ে ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ এরিয়া অফিসের এজিএম শফি উদ্দীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান। অপরদিকে ইলেকট্রিক মিটার ভেটেকের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে সহ কয়েকজন অনৈতিক মোটা অংকের চুক্তিতে অবৈধভাবে খুঁটিটি স্থাপনের কথা স্বীকার করলেও বর্তমানে বিদ্যুৎ ব্যবহার ও মিটারের আবেদনের ঘটনা অবগত নয় বলে জানান। তবে অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর বাড়ীর কোন সদস্যের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া না যাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন