৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১৬ মাঘ, ১৪৩২ | ১০ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম   ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১   ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে   ●  উখিয়া–নাইক্ষংছড়িতে আলোচিত মাদক ও জাল টাকা মামলার সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্য প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন   ●  আ.লীগের বদি’র ক্যাশিয়ার দশবছর পর ফিরলেন বিএনপিতে   ●  অসহায় শিশুদের জন্য শীতকালীন বস্ত্র উপহার দিল স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম

ইয়াবাসহ পুলিশে সোপর্দ, চোর সন্দেহে চালান, এলাকায় ক্ষোভ

বিশেষ প্রতিবেদকঃ

ইয়াবাসহ ওমর ফারুক বিজয় নামের এক যুবককে পুলিশের কাছে সোপর্দের পর সন্দেহভাজন চোর হিসাবে ১৫১ ধারায় চালান দিয়েছে কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশ। এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ঘটনার দিন বিকেলে আদালত থেকে এলাকায় ফিরে বুক ফুলিয়ে ঘুরছে ওই যুবক।

স্থানীয় আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পূর্ব মরিচ্যা এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে ওমর ফারুক বিজয় (১৯) একজন খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ী। গত ২৯ আগস্ট রাতে তিনিসহ স্থানীয় জনতা কিছু সংখ্যাক ইয়াবাসহ উখিয়া থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করেন। রীতিমত পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যান। পরদিন ৩০ আগস্ট তাকে চোর সন্দেহে ১৫১ ধারায় চালান দেয়া হয়। যার কারনে ওই যুবক আদালত থেকেই জামিন নিয়ে বাড়ি ফিরে।

স্থানীয় আতিকুর রহমান আরও বলেন, জনতা কর্তৃক সোপর্দ করার পর সহজেই জামিন পাওয়ার কারনে এলাকার লোকজনকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। তার ভাষ্যমতে, ইয়াবাসহ পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা যুবক, যখন সহজেই এলাকায় ঘুরতে দেখে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এম. মনজুর আলম বলেন, ‘ওমর ফারুক বিজয় একজন চিহ্নিত খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ী। পুলিশ তাকে চোর সন্দেহে চালান দেয়ার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

বুধবার সন্ধ্যায় আদালতে প্রেরণকারী কর্মকর্তা উখিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চম্পক বড়ুয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, থানায় কাউকে নিয়ে আসার পর, সব দায়িত্ব ওসির। আপনি ওসি স্যারের সাথে কথা বলেন।’

আসামি চালানে অগ্রগতিকারী হিসেবে স্বাক্ষর রয়েছে ওসির। বুধবার দুপুরে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জিয়াউল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। পরে প্রতিবেদককে থানায় চায়ের দাওয়াত দেন ওসি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।