৪ এপ্রিল, ২০২৬ | ২১ চৈত্র, ১৪৩২ | ১৫ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প

ইনানী সৈকতে বেপরোয়া বীচ বাইকের ধাক্কায় লন্ডন প্রবাসী সহ আহত ৩

কক্সবাজারের উখিয়া ইনানী সৈকতে বেপরোয়া বীচ বাইকের ধাক্কায় লন্ডন প্রবাসীসহ ৩পর্যটক নারী গুরুতর আহত হয়েছে। শনিবার ৮এপ্রিল বেলা আড়াই টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। আহত পর্যটকদের কক্সবাজার জেলা সদর ও সিআইসি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বীচ বাইক মালিক ও চালক সহ ৪জনের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে, ঢাকা বসুন্ধরা বাড়ীধারা রাস্তা নং- ০৮, বি বøকের বাসিন্দা জি.আর চৌধুরী ছেলে ঝলক এস চৌধুরী, তার বোন লন্ডন প্রবাসী ফাতেমা খাতুন সহ স্বপরিবারে গত ৭এপ্রিল কক্সবাজার ভ্রমনে আসেন। এসব পর্যটক কক্সবাজার কলাতলীস্থ বেষ্টওয়েষ্টার্ণ হ্যারিটেজ হোটেলে উঠেন। শনিবার ৮এপ্রিল দুপুর আড়াইটার দিকে তারা উখিয়া থানাধীন ইনানী সী-বীচে ভ্রমনে যান।
পর্যটক ঝলক এস চৌধুরী জানান, ইনানী সৈকতে অজ্ঞাত নামা দুইটি বীচ বাইকের যাত্রী হন তার বোন ফাতেমা খাতুন ও ভাগ্নি মৌনা। বীচবাইক গুলোর চালকেরা বেপরোয়া ভাবে বাইক চালিয়ে একটি বাইককে পিছনের দিক থেকে স্বজোরে ধাক্কা দিলে বাইক দুইটি উল্টে যায়। এসময় বাইকে থাকা লন্ডন প্রবাসী বোন ফাতেমা খাতুন (৩৯) ও ভাগ্নি মৌনা (২২) গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হন। পেছন দিক থেকে ধাক্কা দেওয়া বীচ বাইকটি ভাগ্নির শরীরের উপর দিয়ে চালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরেই ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির টহলরত এস.আই নিউটন কর্মকার সহ একদল পুলিশ ও বীচকর্মী মঞ্জুর এবং স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করলেও বেপরোয়া বীচ বাইক চালকেরা আহতদেরকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে বাইক নিয়ে পালিয়ে যায়।
আহতদের প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভাগ্নি মৌন ও বোন ফাতেমা খাতুনকে কক্সবাজার সিআইসি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভাগ্নি মৌনার মুখে চোয়ালে বুকে, পেটে হাত ও পায়ে জখম প্রাপ্ত হয়। বোন ফাতেমার বাম হাত ভেঙ্গে হাড় ভাঙ্গ জখম সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। এ ছাড়াও একজন চালক আহত হয়।
ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নিউটন কর্মকার জানান, ঘটনার খবর পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি। বাইক চালকরা পালিয়ে যাওয়ায় এদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় পর্যটক ঝলক এস চৌধুরী বাদী হয়ে বীচ-বাইক মালিক জাকির হোসেন সিকদার ও শাহ আলম এবং বীচ-বাইক চালক মোঃ হারিস ও টিপুর বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
প্রসঙ্গত, কক্সবাজার সৈকতে দীর্ঘদিন ধরে বেপরোয়া গতিতে বীচ বাইক চালিয়ে সৈকতের পরিবেশ দুষিত ও পর্যটকদের জীবন মান হুমকির মুখে ফেলছে। এসব অবৈধ বীচ বাইকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন পর্যটক সহ সচেতন মহল।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।