৪ মার্চ, ২০২৬ | ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৪ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

আফগানিস্তানে আবার যুদ্ধ ঘোষণা করল তালেবান

গতকাল শুক্রবার আফগানিস্তানে আবারও ‘স্প্রিং অফেনসিভ’ (বসন্তের যুদ্ধ) ঘোষণা করেছে তালেবান জঙ্গিরা ৷ এই যুদ্ধে আফগান সেনাবাহিনী ও ন্যাটো সৈন্যদের উপর ভয়ানক হামলা চালানো হবে বলে ঘোষণা করেছে তালেবান৷ জঙ্গিগোষ্ঠীটি এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন মনসৌরি’৷ ২০১৬ সালে মার্কিন ড্রোন হানায় মৃত তালেবান জঙ্গি নেতা মনসৌরির নাম এই অভিযানের নামকরণ হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা৷

জঙ্গিগোষ্ঠীটি জানিয়েছে, এই অপারেশনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আফগানিস্তানে থাকা ন্যাটো ও বিদেশি সৈন্যদের উপর হামলা চালানো৷ তাদের সামরিক ও কৌশলগত ভাবে বিপর্যস্ত করা৷ এবং এর জন্য গেরিলা যুদ্ধও চালানো হবে৷ শেষ বিদেশি সৈন্য থাকা পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছে তালেবান৷

আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে শত্রুদের উড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দিয়েছে তারা৷ আফগান সেনাবাহিনী ও পুলিশের মধ্যে লুকিয়ে থাকা তালেবান জঙ্গিরা প্রয়োজনে এমন হামলা চালাবে বলেও জানিয়েছে ওই জঙ্গিগোষ্ঠী৷

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন হামলার পর থেকেই আফগান নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে অনেকেই তালিবানকে গোপনে সমর্থন জানিয়েছে৷ সেনাঘাঁটি ও পুলিশের উপর আত্মঘাতী হামলা চালানোর পিছনেও রয়েছে ওই সমর্থকরা৷

প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফ শহরের একটি সেনাঘাঁটিতে ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলা চালিয়েছিল তালেবান৷ ওই হামলায় মৃত্যু হয় ১৫০ আফগান সৈন্যের৷ হামলার সময় ওই সেনাঘাঁটিতে ছিলেন বেশ কয়েকজন ন্যাটো উপদেষ্টা৷ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে আফগান সৈনিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজে তাদের নিযুক্ত করা হয়েছিল৷ এই মুহূর্তে আফগানিস্তান তালেবান ও ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াই করছে প্রায় ৮,৪০০ মার্কিন সৈন্য ও ৫০০০ ন্যাটো সৈন্য৷

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।