২১ এপ্রিল, ২০২৬ | ৮ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ৩ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা

কক্সবাজার পৌর নির্বাচন : সরকারদলীয় প্রার্থীর সাজানো ষড়যন্ত্র দাবি প্রার্থী রাশেদের

আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থীর সমর্থককে জরিমানা ও মুচলেকা আদায়

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাসেদুল হক রাশেদের সমর্থকদের ঘীরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এর অভিযান নিয়ে টানা ২ ঘন্টার উত্তোজনা ছিল। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকায় একটি বাড়িকে ঘীরে চলে এই উত্তোজনা।

কক্সবাজার জেলা ডিবি পুলিশের ইনচার্জ আহমেদ নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ভোটারদের মধ্যে নগদ টাকা বিতরণের খবর পেয়ে এক অভিযান চালানো হয়। অভিযানে শহরের বাহারছড়া স্কুলের বিপরীতে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিনের বাড়ির সামনে একদল নারী নারকেল প্রতীকের পক্ষে একটি বিশেষ টোকেন প্রদানকালে বেশ কিছু টোকেন জব্দ করা হয়। ডিবি পুলিশের উপস্থিতি দেখে নারীরা টাকা সহ দ্রæত জসীমের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। ডিবি পুলিশ বাড়িটি ঘীরে রেখে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটকে অবহিত করেন। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর বাড়িতে প্রবেশ করা হয়।

এদিকে এর মধ্যে এই বাড়িটি ঘীরে শুরু হয় উত্তেজনা। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বাড়িতে প্রবেশের পরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছেন আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাসেদুল হক রাশেদ, তার ভাই জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিনুল হক মার্শাল সহ অনেকেই। তারা বাড়িটির সামনের রাস্তায় অবস্থান করে শ্লোগান দিয়ে বসে থাকেন। বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিনুল হক মার্শাল। টানা ২ ঘন্টা পর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

ঘটনাস্থলে যাওয়া নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাসুদ বিল্লাহ জানিয়েছেন, ভোটারদের নগদ টাকা প্রদান করায় নির্বাচন আইনের ১৮ এর ঘ এর মতে কহিনুর আকতার নামের এক সমর্থককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে একই অপরাধ না করার শর্তে প্রার্থীর মুচলেকা আদায় করা হয়েছে।

এ ঘটনাকে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাসেদুল হক রাশেদ সরকারদলীয় প্রার্থীর সাজানো ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে তার প্রচারণায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হচ্ছে। সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি দাবি জানান তিনি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।