মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন বাইশারী আলিক্ষ্যং সড়কে ইট বিছানোর কাজে ব্যাপক অনিয়ম

শেয়ার করুন

oeMUM b__e_cn1
পার্বত্য জেলা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের বাইশারী – আলিক্ষ্যং সড়কে ইট বিছানোর কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্টান “জি.এম ট্রেডার্স ”। জানা গেছে পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে নির্মানাধীন ১৪ শত ফুট ইট বিছানোর কাজটি করে যাচ্ছেন ঠিকাদার জসিম উদ্দীন ।উক্ত কাজে বর্তমান দায়িত্বে রয়েছেন বেলাল উদ্দীন প্রকাশ বেলাল মাঝি। দায়িত্বে নিয়োজিত বেলাল মাঝি নিজেই প্রকৌশলী এবং সে নিজেই মিস্ত্রি । প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে বেলাল মাঝি কে বুঝানোর সাধ্য কারো নেই।ইতিপূর্বেও উক্ত বেলাল মাঝি যথগুলো কাজ করেছেন তার মধ্যে গুজামিল রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।প্রাপ্ততথ্যে সরজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় ,২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন ইট বিছানো কাজটিতে ব্যাপক অনিয়মের মধ্যদিয়ে কাজ সম্পন্ন করার পথে রয়েছে।স্থানীয়রা জানান ,ইট বিছানো কাজে কোন ধরনের বালি ব্যবহার করা হয় নাই। বালির পরিবর্তে পাহাড়ের মাটি দিয়েই নির্বিগ্নে চালিয়ে যাচ্ছে ইট বিছানোর কাজ । কোন ধরনের সরকারী ভাবে প্রকৌশলীর তদারকিও চোখে পড়ে নাই।তাছাড়া কাজে ব্যবহার করছে নি¤œ মানের ইট ।সরকারের তদারকি না থাকায় ইচ্ছে মতেই চালিয়ে যাচ্ছে ইট বিছানোর কাজ ।ইট বিছানোর নিয়ম অনুযায়ী বক্র করার কথা থাকলেও তাও করেনি। সামন্য বৃষ্টিতেই ফাক ফোকর হয়ে গেছে রাস্তটি । জন সাধারনের উপকারের জন্য সরকার লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে রাস্তা নির্মান করলেও বর্ষা মৌসুমে রাস্তার ইট পাহাড়ী ঢলে ভেসে নিয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন স্থানীয়রা । বিষয়টি নিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্টান জি.এম ট্রেডার্সের মালিক ঠিকাদার জসিম উদ্দীনের নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন , আগামী সাপ্তাহে এসে দেখে যাবেন।এ বিষয়ে পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রকৌশলী প্রশান্ত এর নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান , খতিয়ে দেখে তড়িৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন