মূল খবরে যান

শিরোনাম
● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর● ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন● জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন

২০০ বাংলাদেশি নারীকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে মমতা সরকার

শেয়ার করুন

দালালের ফাঁদে পড়ে সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের পরই কখনো বিএসএফ কখনো  পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন। হাত বদল হয়ে কারো আবার ঠাঁই হয়েছে নিষিদ্ধ পল্লীতে। পরে তাদেরকেই উদ্ধার করে পাঠিয়ে দেয়া হয় রাজ্যের বিভিন্ন সেফ হোমে।

গত চার বছর ধরে এই সেফ হোসগুলিতেই অবস্থান করছেন বিভিন্ন সময়ে পাচার হয়ে যাওয়া প্রায় দুই শতাধিক নারী। এবার নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠেছে এই নারীরা। তবে সেক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে তারা নিজেরাই।

রাজ্যের সরকারি কর্মকর্তাদের অভিমত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই নারীরা বাংলাদেশের ঠিকানা বলতে পারছেন না নয়তো বাবা-মায়ের সন্ধান দিতে পারছেন না। স্বাভাবিক ভাবেই এখনো হোমেই কাটাতে হচ্ছে এই বাংলাদেশি নারীদের।

বুধবার পশ্চিমবঙ্গ নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রধান সচিব রোশনি সেন  জানিয়েছেন, এই মুহুর্তে প্রায় ২২০ জন পাচারকৃত নারীকে বিভিন্ন হোমে রাখা হয়েছে এবং তারা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। যদিও কিছু ঘটনা, আইনি জটিলতা তাতে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

পাচার হওয়া নারীদের প্রত্যর্পণের বিষয়টি দেখার জন্য তার নেতৃত্বে একটি স্পেশাল টাস্ক ফোর্স’ও গঠন করা হয়েছে। এই টাস্কফোর্সে পুলিশের পাশাপাশি বিএসএফ, এনজিও, বাংলাদেশ দূতাবাস ও অন্যান্য এজেন্সিগুলির কর্মকর্তারাও প্রতিনিধিত্ব করছেন।

রোশনি সেন আরো জানান, গত পাঁচ বছরে এরকম প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি নারীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশ নারীরাই তাদের প্রকৃত ঠিকানা এবং বাবা-মায়ের নাম বলতে পারেননি। তবু আমরা এই প্রক্রিয়াটিকে সচল রেখে তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি।

শেয়ার করুন