২৯ নভেম্বর, ২০২৫ | ১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ | ৭ জমাদিউস সানি, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বৃত্তি পরীক্ষায় বিশেষ গ্রেড পেল খরুলিয়ার রোহান   ●  মরিচ্যা চেকপোস্টে ৪০ হাজার ইয়াবাসহ ভুয়া নৌবাহিনী সদস্য আটক   ●  উখিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার আবুল কাশেমের ইন্তেকাল   ●  উখিয়ায় নিখোঁজের ৪দিনেও সন্ধান মেলেনি শিশু নুরশেদের   ●  উখিয়ায় প্রায় ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ বাহক আটক, অধরা মাদক সম্রাট ছোটন ও মামুন   ●  ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে কক্সবাজারে সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী   ●  কক্সবাজার ৪আসনঃ প্রার্থী চুড়ান্ত, তবুও মনোনয়ন বঞ্চিত আবদুল্লাহর সমর্থকদের বিক্ষোভ   ●  চিকিৎসা বিজ্ঞানে উখিয়ার সন্তান ডাঃ আব্দুচ ছালামের উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন   ●  ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীন পরিবার, চার সন্তান স্কুলে যাওয়া বন্ধ   ●  রামুতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা রিজনের নেতৃত্বে এক ব্যক্তির দোকান দখলের অভিযোগ, চাঁদাবাজি মামলায় জিটু কারাগারে

হোটেল সী ক্রাউন থেকে ভূয়া কারাপরিদর্শক আটক

 

আবু সায়েম : কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দের বিচক্ষণতায় হোটেল মোটেল জোনে কলাতলীর ডলপিন মোড়ে অবস্থিত হোটেল সী ক্রাউন থেকে ভূয়া কারাপরিদর্শক পরিচয়দানকারী দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃত রিয়াদ বিন সেলিম ও শাহনাজ পারভীন মায়া সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। তারা চট্টগ্রামের পটিয়ার বাসিন্দা।

হোটেল সী- ক্রাউন কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে কক্সবাজার জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক বজলুর রশীদ আখন্দ জানান, হোটেলে অবস্থানরত স্বামী স্ত্রী নিজেদের সিনিয়র কারাপরিদর্শক হিসেবে পরিচয় দেন।এবং গত ২১ তারিখ তারা ওই হোটেলে উঠেন। হোটেলে অবস্থান করার পর থেকে খাবার দাবার সহ যাবতীয় কিছু বাকিতে ভোগ করছিলেন। নিয়ম মোতাবেক তাদের কাছ থেকে রুম ভাড়া আর খাবারের টাকা চাওয়া হলে তারা আজ দিবে কাল দিবে বলে হোটেল কর্তৃপক্ষকে সময় দিতে থাকেন।

বজলুর রশীদ আখন্দ আরোও বলেন, কর্তৃপক্ষ আমাকে বিষয়টি জানালে তৎক্ষনাৎ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে চলে যাই। পরবর্তীতে গভীর সন্দেহ হলে তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে আসল পরিচয় জানতে চাইলে তারা অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে। বিষয়টি আমি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইনকে অবগত করলে তিনি সদর মডেল থানার অপারেশন অফিসার ইয়াছিন কে ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পাঠান।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অপারেশন অফিসার ইয়াছিন জানান, স্বামী – স্ত্রী দুজনই সিনিয়র কারাপরিদর্শক হিসেবে ভূয়া পরিচয় প্রদান করে উক্ত হোটেলে ১৩ দিন যাবত অবস্থান করছেন। বিষয়টি খুবই জটিল। কারণ চট্টগ্রামে স্থায়ী বাসিন্দা হলে কক্সবাজারে কোন কাজ ছাড়া ১৩ দিন থাকা অস্বাভাবিক। এর পেছনে মাদকের কোন সংশ্লিষ্টতা আছে বলে তিনি মনে করেন। হয়তো কোন মাদকের চালান নিয়ে যাওয়ার জন্য তারা এতোদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলো।

তিনি আরো জানান, আটককৃত রিয়াদ বিন সেলিমের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম আকবর শাহ থানায় ধর্ষণ ও অপহরনের মামলা রয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্তপূর্বক আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।