৩০ জুলাই, ২০২৬ | ১৫ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৫ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা

হত্যা মামলার আসামি আরও দুই রোহিঙ্গা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

কক্সবাজারসময় ডেস্কঃ কক্সবাজারের টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামি আরও দুই রোহিঙ্গা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা গেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে জাদিমুরা এলাকায় এই ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়।

এ নিয়ে ওমর ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি ডাকাত নুর মোহাম্মদসহ ৫ জন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হলো।
পুলিশ সূত্র জানায়, এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।

ঘটনাস্থল হতে দেশীয় অস্ত্র-কার্তুজ ও খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
আরও বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান এ চালায়। উপজেলার হ্নীলা জাদিমোরা চাইল্ড ফেন্ডলী স্পেস অফিস সংলগ্ন পেছনের পাহাড়ে ফারুক হত্যাসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি অবস্থানের খবর তারা জানতে পারেন।
পুলিশ জানায়, এ সময় দুর্বৃত্তরা তাদের উপস্থিত টের পেয়ে গুলি ছুড়তে থাকে। এতে এএসআই কাজী সাইফ উদ্দিন, কনস্টেবল নাবিল ও রবিউল ইসলাম আহত হয়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও ২৮ রাউন্ড পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির শব্দে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে অস্ত্রধারীরা গুলি করতে করতে পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়।
পরে গুলিবিদ্ধ দুই রোহিঙ্গা ও আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ দুই রোহিঙ্গাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে তারা মারা যায়।
ঘটনাস্থলের আশপাশে তল্লাশি করে আসামিদের ফেলে যাওয়া দুটি এলজি, ৭ রাউন্ড শটগানের তাজা কার্তুজ এবং ৯ রাউন্ড কার্তুজের খোসা জব্দ করা হয় ।
খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির পর নিহতদের শনাক্ত করে। তারা হলেন মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মন্ডু থানার বুচিদং হাসসুরাতার জমির আহমদের ছেলে মো. আব্দুল করিম (২৪) ও একই থানার পুইমালীর সৈয়দ হোসেনের ছেলে নেছার আহমদ ওরফে নেছার ডাকাত (২৭) । মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ গণমাধ্যমকে জানান, পলাতক আসামি আটক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে পুলিশের ৩ সদস্য আহত হয়েছে। অস্ত্র ও কার্তুজসহ আটক দুই রোহিঙ্গা ডাকাত চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যায়।
এই ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।