মূল খবরে যান

শিরোনাম
● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর● ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন● জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন

সাংসদ বদির বিরুদ্ধে করা দুর্নীতির মামলায় রায় আজ

শেয়ার করুন

b6b88ce8dd43da4280cfa6fedcbda29a-Bodi-2
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে কক্সবাজার-৪ উখিয়া – টেকনাফ আসনের আওয়ামী লীগের সাংসদ আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে আজ বুধবার। যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ১৯ অক্টোবর ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু আহমেদ জমাদার এই দিন ধার্য করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর প্রথম আলোকে বলেন, সাংসদ আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য অাজ বুধবার দিন ধার্য রয়েছে। তিনি বলেন, সাংসদ বদির বিরুদ্ধে এ মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে সাংসদ বদির বিরুদ্ধে দুদকের করা এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।
দুদকের আইনজীবীর ভাষ্য, ২০০৮ সালে বদির সম্পদের পরিমাণ ছিল ৪৯ লাখ ৭৯ হাজার টাকার। ২০১৩ সালে তিনি যে আয়কর বিবরণী দাখিল করেন, এতে দেখা যায়, তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৬ কোটি ৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। দুদক সম্পদের বিবরণী চেয়ে তাঁকে নোটিশ দিয়েছিল। নোটিশ পাওয়ার পর তিনি ৫ কোটি ২০ লাখ ১৪ হাজার ৫৮৩ টাকার সম্পদের বিবরণী দাখিল করেন। বাকি ১০ কোটি ৮৬ লাখ টাকার তথ্য তিনি গোপন করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আবদুর রহমান বদি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১০ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকা মূল্যমানের সম্পদের তথ্য গোপন করে বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দেন। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের বৈধতা দেখানোর জন্য কম মূল্যে সম্পদ ক্রয় দেখিয়ে ১ কোটি ৯৮ লাখ ৩ হাজার ৩৭৫ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি দেখানো হয়েছে।
এ অভিযোগে দুদক ২০১৪ সালের ২১ আগস্ট বদির বিরুদ্ধে মামলা করে। গত বছরের ৭ মে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক।

শেয়ার করুন