৩১ জুলাই, ২০২৬ | ১৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৬ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী

সাংসদ বদির বিরুদ্ধে করা দুর্নীতির মামলায় রায় আজ

b6b88ce8dd43da4280cfa6fedcbda29a-Bodi-2
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে কক্সবাজার-৪ উখিয়া – টেকনাফ আসনের আওয়ামী লীগের সাংসদ আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে আজ বুধবার। যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ১৯ অক্টোবর ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু আহমেদ জমাদার এই দিন ধার্য করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর প্রথম আলোকে বলেন, সাংসদ আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য অাজ বুধবার দিন ধার্য রয়েছে। তিনি বলেন, সাংসদ বদির বিরুদ্ধে এ মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে সাংসদ বদির বিরুদ্ধে দুদকের করা এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।
দুদকের আইনজীবীর ভাষ্য, ২০০৮ সালে বদির সম্পদের পরিমাণ ছিল ৪৯ লাখ ৭৯ হাজার টাকার। ২০১৩ সালে তিনি যে আয়কর বিবরণী দাখিল করেন, এতে দেখা যায়, তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৬ কোটি ৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। দুদক সম্পদের বিবরণী চেয়ে তাঁকে নোটিশ দিয়েছিল। নোটিশ পাওয়ার পর তিনি ৫ কোটি ২০ লাখ ১৪ হাজার ৫৮৩ টাকার সম্পদের বিবরণী দাখিল করেন। বাকি ১০ কোটি ৮৬ লাখ টাকার তথ্য তিনি গোপন করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আবদুর রহমান বদি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১০ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকা মূল্যমানের সম্পদের তথ্য গোপন করে বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দেন। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের বৈধতা দেখানোর জন্য কম মূল্যে সম্পদ ক্রয় দেখিয়ে ১ কোটি ৯৮ লাখ ৩ হাজার ৩৭৫ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি দেখানো হয়েছে।
এ অভিযোগে দুদক ২০১৪ সালের ২১ আগস্ট বদির বিরুদ্ধে মামলা করে। গত বছরের ৭ মে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।