মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

সমাজে বিশৃঙ্খলা-অশান্তি সৃষ্টি হয় এমন বয়ান থেকে আলেম-ওলেমাদের বিরত থাকতে হবে’-এমপি জাফর

শেয়ার করুন

বার্তা পরিবেশক:

কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম এমএ মসজিদের ইমাম, আলেম-ওলেমাদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন- বর্তমানে প্রতিটি এলাকায় বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল হয়। আগেকার চেয়ে বর্তমান সরকারের আমলেই ধর্মীয় এসব অনুষ্ঠানের পরিধি বেড়েছে। কিন্তু একটা বিষয় সবসময় লক্ষ করি, ওয়াজ মাহফিলে ধর্মীয় বিষয়ে তেমন বয়ান করা হয় না। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওয়াজ মাহফিলকে দেশীয় ও আর্ন্তজাতিক ভূরাজনীতির বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার মঞ্চ বানিয়ে ফেলা হয়। যা কোনভাবেই আলেম-ওলেমার কাজ হতে পারে না।
এমপি জাফর আলম প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন চকরিয়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পুকপুকুরিয়া রাজধানী পাড়ার বায়তুন নূর জামে মসজিদের বার্ষিক সভা ও ইছালে ছাওয়াব মাহফিলে। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মসজিদটির বার্ষিক সভা ও ইছালে ছাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি জাফর আলম বলেন, বাংলাদেশে কোন নেতা কোন রাজনৈতিক দল করেন বা কোন রাজনৈতিক দল কেমন এসব বিষয়ে বয়ান না করে ছহিহ্ ধর্ম নিয়ে আলোচনা করাই হচ্ছে ওয়াজ মাহফিল বা ধর্মীয় যে কোন অনুষ্ঠানের একমাত্র উদ্দেশ্য।

তিনি আরো বলেন, কি কাজ করলে জান্নাতবাসী হবেন, কি করলে মানুষ গুনাহ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারবেন, সামাজিক সম্প্রীতি অক্ষুন্ন থাকবে সেসব বিষয়ে ওয়াজ মাহফিলে আলোচনা করতে পারেন আলেম-ওলেমারা। এসব না করে যদি বিভক্তিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয় তাহলে সমাজে অশান্তি চলে আসে। তাই সমাজে বিশৃঙ্খলা, অশান্তি সৃষ্টি হয়, এই ধরণের বক্তব্য থেকে বিরত থেকে সমাজে শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক হয় এমন বয়ান দেওয়ার জন্য সম্মানিত আলেম-ওলেমাদের উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি আমি।

শেয়ার করুন