মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

সওজের কর্মকান্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন! বৈধ জমিতে স্থাপনা নির্মাণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি

শেয়ার করুন


প্রবাসী পরিবারের ক্রয়কৃত একখন্ড জমিতে ব্যবসায়িক স্থাপনা নির্মাণ করতে গিয়ে ওই পরিবারের সদস্যরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, চকরিয়া পৌরসভার কাহারিয়াঘোনা এলাকার প্রবাসী মঈনুদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা বেশক’বছর আগে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চিরিংগাস্থ পুরাতন বাস ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকার খতিয়ানভূক্ত ১৩ শতক জমি ওই এলাকার মৃত মোজাহের আহমদ কোম্পানীর কাছ থেকে ক্রয় করেন। ক্রয়সূত্রে মঈনুদ্দিন গং বৈধ মালিক হয়ে ওই পরিমাণ জমির দখল বুঝে নেয়। পরে এ জমিতে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করলে একটি লোভী ও দালাল চক্র ফায়দা লুটের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। ফায়দা লুটতে ব্যর্থ হয়ে ওই চক্র সওজের লোকজনকে ভুল বুঝিয়ে নানা কৌশলে বৈধ ভূমি মালিকদের হয়রানি করে যাচ্ছে।
সূত্র মতে, মঈনুদ্দিন গং এর জমির সাথে লাগোয়া জমিতে ইতিপূর্বে অসংখ্য বহুতল বাণিজ্যিক ভবন বিদ্যমান থাকলেও সওজ কর্তৃপক্ষ এসব জমির দখল নিয়ে কোন ধরণের তৎপরতা চালাচ্ছে না। রহস্যজনক কারণে বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়ে ১৩ শতক জমি কিনলেও ক্রয়সূত্রে প্রবাসী মালিকপক্ষকে ভবন নির্মাণে নানাভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে। প্রবাসী মঈনুদ্দিন পরিবারের সদস্য নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আর,এস খতিয়ান নং- ১৯৯, এম,আর,আর খতিয়ান নং- ২০৯, বি,এস খতিয়ান নং- ২৪৯ এর বি,এস দাগ নং- ৬৯৭ দাগের আন্দর ১৩ শতক জমি ক্রয় করে তারা জমাভাগ খতিয়ান সৃজন করে যার নং- ৫২৯। এরপরও রহস্যজনক কারণে নিষ্কণ্ঠক জমিতে স্থাপনা নির্মাণে শুধুমাত্র প্রবাসী পরিবার হওয়ায় অনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য হয়রানি করছে বলে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে দাবী করেছেন। বিষয়টি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক সংলগ্ন উভয়পাশে অধিগ্রহণকৃত সওজের মূল্যবান জমিতে অবৈধ দখলদারের স্থাপনা নির্মাণ করে পৈতৃক সম্পত্তির মত ভোগ দখল করে গেলেও সওজের কোন মাথাব্যথা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। পক্ষান্তরে, অধিগ্রহণকৃত জমি বাইরে গিয়ে বৈধ ভূমি মালিকদের হয়রানির বিষয়টি বাজারে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

শেয়ার করুন