মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

লোহাগাড়ায় ছাত্রীকে হাত-পা বেধেঁ ধর্ষণঃ কোচিং সেন্টার মালিক লাপাত্তা

শেয়ার করুন

লোহাগাড়া প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ছাত্রীকে হাত-পা বেধে জোর পূর্বক ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে এক কোচিং সেন্টার মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে ঐ কোচিং সেন্টারটি বন্ধ করে দিয়ে ধর্ষক সাইফুল ইসলাম পলাতক হয়েছে। ধর্ষনের সময় ঐ ছাত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা মুমুর্ষ অবস্থায় ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। দীর্ঘ এক সপ্তাহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীণ থাকার পর গত ১৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার নিজ বাড়িতে ফিরেছে। এর আগে ১২ এপ্রিল দুপুরে আমিরাবাদ ইউনিয়নের উত্তর আমিরাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালস্থ ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) কো-অর্ডিনেটর ডাক্তার সৈয়দা মাফরুহা নিগার লোহাগাড়া থানায় এজাহার প্রেরণ করার প্রেক্ষিতে ধর্ষিতার মাকে বাদি করে মামলা নিয়েছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ। মামলা দায়েরের বিষয়টি লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, থানার এস আই বিকাশ রুদ্রকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়নি ধর্ষক সাইফুল ইসলাম। অনেকটা প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য সাইফুল গোপনে বিদেশ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে বলে ধর্ষিতার পরিবার সূত্র জানিয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, উত্তর আমিরাবাদের আব্দুস সোবহানের ছেলে ধর্ষক সাইফুল ইসলাম কিছু দিন আগে উত্তর আমিরাবাদে শৃজনশীল নামে একটি কোচিং সেন্টার খুলে। এলাকার ছেলে সাইফুলের অনুরোধে উত্তর আমিরাবাদ এমবি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর (ধর্ষিতা)ছাত্রী, তার বোন ও দুই ভাইকে উক্ত কোচিং সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। সেই থেকে সাইফুলের সাথে ঐ ছাত্রীর পরিবারের যুগসূত্র তৈরী হয়।
ঐ ছাত্রীর মা বলেন,ঘটনার আগের দিন আমি বিশেষ কাজে আমার বড় মেয়ের শশুড় বাড়িতে যায়। ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক আটটার সময় অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম আমাকে ফোন করে আমি কোথায় জানতে চাইলে আমি বড় মেয়ের শশুড় বাড়িতে আছি বলে জানায়।তারপর সে আমার ঘরে এসে আমার মেয়েকে একা পেয়ে হাত-পা বেধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে গুরুতর আহত করে। এসময় আমার মেয়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে ধর্ষক পালিয়ে যায়, আর মুমুর্ষ মেয়েকে উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দীর্ঘ এক সপ্তাহ চিকিৎসার পর গত বৃহস্পতিবার আমার মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে আসি। এরি মধ্যে গত ১৫ এপ্রিল ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) সহযোগিতায় লোহাগাড়া থানায় মামলা দায়ের করি। কিন্তু এখনো তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
যোগাযোগ করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই বিকাশ রুদ্র বলেন,আসামীকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অভ্যাহত আছে। সে যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য আমরা বিমান বন্দর ও স্থল বন্দর সমূহে বিশেষ বার্তা প্রেরণ করেছি। আশা করি ধর্ষককে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে পারব।

শেয়ার করুন