মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম

লোহাগাড়ায় আরকান মহাসড়কে ইট-বালু দিয়ে গর্ত ভরাট

শেয়ার করুন

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ কয়েকদিনের টানা বর্ষণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। মহাসড়ক সংস্কারে ব্যবহার করা হচ্ছে ইট-বালু। এতে করে ভারী বৃষ্টি হলে রাস্তা আবারও খান্দাখন্দে ভরে যাবে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতে পারে সাধারণ যাত্রীদের।

মহা সড়কের বড় বড় গর্ত ইট ও বালু ফেলে ভরাট করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। মহাসড়কের গর্ত সৃষ্টি হওয়া নিয়ে
চট্টগ্রামের অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘দেশবাংলা”সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কের কোথাও কোথাও ইট-বালু দিয়ে গর্ত ভরাট করা হচ্ছে। এতে করে কোনো প্রকার সুফল পাওয়া যাবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বৃষ্টি কমার পর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ এসব গর্তের সাময়িক মেরামতের কাজ শুরু করেছে।তাও ইট ও বালি দিয়ে সড়কের গর্তগুলোর সংস্কারের কাজ করছে। সাময়িক সংস্কারের কারণে সড়ক উঁচু-নিচু হয়ে যাওয়ায় যানবাহনকে ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মহাসড়কের বিভিন্ন গাড়ীর চালকেরা।

এ বিষয়ে দোহাজারী সওজ`র নির্বাহী প্রকৌশলী জাহেদ হোসেন মুঠোফোনে উক্ত প্রতিবেদককে বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে সংস্কারকাজ পুরোপুরি করা সম্ভব হচ্ছে না। আপাতত ইট- বালু দিয়ে গর্ত গুলো ভরাট করে দিচ্ছি। বৃষ্টি কমে গেলে নতুন করে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।

শেয়ার করুন