মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

উখিয়া প্রতিনিধি:-

কক্সবাজারের উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন আরসার শীর্ষ কর্মান্ডার ও সন্ত্রাসী জাহিদ হোসেন প্রকাশ লালুকে গ্রেপ্তার করেছে। এসময় তার কাছ থেকে ১টি ফাইভ স্টার পিস্তল এবং দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে উখিয়ার এফডিএমএন ক্যাম্প-১ (ওয়েস্ট)সংলগ্ন একটি চায়ের দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে জানা যায়, জাহিদ হোসেন ওরফে লালু দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোকে কেন্দ্র করে ভয়ভীতি প্রদর্শন, অপহরণ, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ব্যবসা এবং অভ্যন্তরীণ আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। সে আরসার একজন সক্রিয় কমান্ডার হিসেবে ক্যাম্পের বিভিন্ন ব্লকে অপরাধমূলক নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করত।সূত্রে আরও জানা যায়, আরসার সাবেক প্রধান আতাউল্লাহ জুনুনির নেতৃত্বে সংঘটিত একাধিক হত্যাকাণ্ড, সহিংসতা ও অস্ত্রের চালানের সঙ্গে লালুর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততার প্রমাণ রয়েছে। এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বিচারাধীন ছিল।

এছাড়া, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাষ্ট্রবিরোধী নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সে ক্যাম্প এলাকায় পুনরায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছিল বলে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধী গ্রুপগুলোকে সক্রিয় করতে সে নিয়মিত গোপন বৈঠক ও যোগাযোগ রক্ষা করছিল।গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়। একই সঙ্গে তার সহযোগী, অস্ত্র সরবরাহকারী এবং আরসার সক্রিয় সদস্যদের শনাক্ত করতে অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নুর আহমদ সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরো বলেন গ্রেপ্তারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

শেয়ার করুন