মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

রামু সহিংসতার স্মরণ অনুষ্ঠানে হামলাকারীদের বিচার দাবি

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, রামু

রামুতে ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধ পল্লীতে অগ্নিকান্ড, ভাঙ্গচুর ও হামলা চালানো হয়েছিল। সেদিনের এ সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা সারাবিশ্বের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। কিন্তু নয় বছর পার হলেও এখনও এই ধ্বংসযজ্ঞের বিচার হয়নি। এভাবে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। গতকাল বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রামু লালচিং-মৈত্রী বিহার কমপ্লেক্সে রামু কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ যুব পরিষদ আয়োজিত রামু সহিংসতার স্মরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন। ভোরে সাদাচিং এ বুদ্ধের সামনে অর্ঘ্যদানের মধ্যদিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর সংঘদান, অষ্টপরিষ্কারদান, ধর্ম সভা ও শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন  করা হয়েছে।
রামু পানেরছড়া বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ সুচারিতা মহাথেরোর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান ধর্মদেশক ছিলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রাচ্যভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. জিনবোধি মহাথের। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, রামু সেনা নিবাসের স্টেশন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রিয়াজুর রহমান বিপিএম. পিএসসি। বক্তৃতা করেন, রামু মৈত্রী বিহারের অধ্যক্ষ প্রজ্ঞাতিলক মহাথের, বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্রের পরিচালক করুনাশ্রী থের, রামু কেন্দ্রীয় সীমা মহাবিহারের পরিচালক শিলপ্রিয় থের, রামু কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ যুব পরিষদ সভাপতি কেতন বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক বিপুল বড়ুয়া আব্বু প্রমুখ।

সংগঠনের সভাপতি কেতন বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক বিপুল বড়ুয়া আব্বু জানান, ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বৌদ্ধদের অনেকগুলো বুদ্ধ মূর্তি, বুদ্ধের পবিত্র ধাতু, ধর্মগ্রন্থ পবিত্র ত্রিপিটক ও প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গেছে। মূলত হারিয়ে যাওয়া এসব স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং পূণ্যদান করতে এ আয়োজন করা হয়। তারা আরও জানান, আমরা এ ঘটনার বিচার চাই। কারণ অপরাধীরা শাস্তি না পেলে এ ধরনের ঘটনা বার বার ঘটবে।

শেয়ার করুন