মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

রামুতে শেষ হলো সাত দিনব্যাপী বিজয় মেলা

শেয়ার করুন

রামুতে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার সমাপনী দিনে স্মৃতিচারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজার জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক আহমদ চৌধুরী বলেছেন, বিজয় আমাদের অহংকার। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের প্রেরণা। ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত ও ৩০ লাখ মানুষের রক্তেভেজা জাতিয় পতাকার মর্যাদা আমাদেরকে ধরে রাখতে হবে। একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর বার বার আঘাত করতে চায়। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারী) রাত ১০টার দিকে রামু খিজারী স্টেডিয়ামে আয়োজিত মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলায় স্মৃতিচারণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় সভাপতির বক্তব্যে বিজয় মেলা উদ্যাপন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি বলেছেন, আমরা বাঙালি জাতি হিসেবে গর্বিত। আমরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। আমরা মাতৃভাষার জন্য সংগ্রাম করেছি। দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের প্রেরণার উৎস।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমেই বাঙালি জাতি ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সব শ্রেণী-পেশার মানুষ ভেদাভেদ ভুলে মুক্তির আকাঙ্খায় প্রাণবাজি রেখে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। ৯ মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছি একটি লাল সবুজের পবিত্র জাতিয় পতাকা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে। অন্ন, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সর্বক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য প্রধানমন্ত্রীর অর্জন। এ অর্জন আমাদের বাঙালি জাতির। এ অর্জন আমাদের সকলের। তাই প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে এবং রুপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।

অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিবেশে সাত দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা সম্পন্ন করার জন্য কমিটির নেতৃবৃন্দসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান- উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান এমপি কমল।

রামু উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়–য়া সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন রামু মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের মহাসচিব উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম।

স্মৃতিচারণ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য কাউয়ারখোপের সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম, নুরুল হক কোম্পানি, তাহমিনা চৌধুরী লুনা, সোহেল জাহান চৌধুরী, ফতেখাঁরকুলের চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, জেলা আওয়ামীলীগের মহিলা সম্পাদিকা মুসরাত জাহান মুন্নি, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক কায়সারুল হক জুয়েল, রামু উপজেরা শ্রমিকলীগের সভাপতি, বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের কো-চেয়ারম্যান নুরুল কবির হেলাল, রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক তপন মল্লিক, যুগ্ম সম্পাদক সাংসদ কমলের ব্যক্তিগত সহকারী আবু বক্কর ছিদ্দিক, মৎস্যজীবিলীগের সহ সভাপতি আনসারুল হক ভুট্টো, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রতন বড়–য়া, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের সংবাদ উপ-পরিষদের সচিব অর্পন বড়–য়া, দপ্তর উপ-পরিষদের আহ্বায়ক শওকত ইসলাম, ফতেখাঁরকুল স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আজিজুল হক আজিজ প্রমূখ।

এতে নবনির্বাচিত জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক আহমদ চৌধুরীসহ জেলা পরিষদের সদস্যদের সংবর্ধিত করা হয়। একই সাথে সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল হকসহ রামু উপজেলার সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি ও রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম।

শেয়ার করুন